নিয়ন্ত্রক সংস্থার নানা প্রণোদনার পরও ঢাকার শেয়ারবাজার থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পুঁজি সরে যাচ্ছেই
বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো লেনদেনের কাগজপত্র সহজ করা, লভ্যাংশ প্রত্যাবাসনের সময়সীমা শিথিল করা আর এমএসসিআইয়ের কাছ থেকে নভেম্বরে সূচক পর্যালোচনা আবার শুরুর প্রতিশ্রুতি আদায় করার পরও আগস্টে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে টাকা তুলে নেওয়া অব্যাহত রেখেছেন। সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক আর স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস সবগুলোতেই মাসজুড়ে বিদেশি মালিকানার লক্ষণীয় পতন দেখা গেছে, যা চলতি অর্থবছরের বেশিরভাগ সময় ধরে চলা একটা ধারারই অংশ। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের মূলধনী মুনাফা কর ব্যবস্থা, উন্নত বাজারের দিকে বৈশ্বিক তহবিলের ঝোঁক, আর নীতির ধারাবাহিকতা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগই সাম্প্রতিক প্রণোদনাগুলো যথেষ্ট না হওয়ার গভীরতর কারণ। জুলাইয়ের শেষদিকের একটা ঘটনা, যেখানে মাত্র একটা প্রস্তাবিত মার্জিন ঋণ নিয়ম তীব্র বিক্রির চাপ তৈরি করেছিল, দেখায় ঢাকায় বিদেশি অবস্থান কতটা স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে।
প্রণোদনা আসছে, কিন্তু পুঁজিও বেরিয়ে যাচ্ছে
এই গ্রীষ্মের বড় একটা সময় বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে বিদেশি অর্থের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক অনাবাসী লেনদেনে অডিটরের সনদ বাধ্যতামূলক রাখার নিয়ম তুলে দিয়েছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন লভ্যাংশ প্রত্যাবাসনের সময়সীমা শিথিল করে তার বদলে দ্বৈত কর পরিহার সনদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা যুক্ত করেছে। এমএসসিআই এমনকি ঘোষণা দিয়েছে যে নভেম্বর থেকে বাংলাদেশের জন্য নিয়মিত সূচক পর্যালোচনা আবার শুরু হবে। কিন্তু এসবের কোনোটাই আগস্টে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রি থামাতে পারেনি, আর এই বেরিয়ে যাওয়ার মাত্রা এখন ডিএসইর নিজস্ব মালিকানার তথ্যেই শেয়ার ধরে ধরে ফুটে উঠছে।
সিটি ব্যাংকে বিদেশি মালিকানা মাসজুড়ে ১.৭২ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৯০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। ব্র্যাক ব্যাংকে বিদেশি মালিকানা কমেছে ০.৫৭ শতাংশ পয়েন্ট, প্রায় ৮০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে। প্রাইম ব্যাংকের বিদেশি অংশীদারিত্ব ০.৩৫ পয়েন্ট কমেছে ১২.৩০ কোটি টাকা তুলে নেওয়ার মধ্য দিয়ে, আর স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের মতো ব্লু চিপ কোম্পানিতেও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ৭.৫ কোটি টাকার শেয়ার কমিয়েছেন, যা ০.০৪ শতাংশ পয়েন্টের পতন। এই চারটি ছাড়াও ওষুধ, বস্ত্র আর শিল্প খাতের নানা শেয়ারে বিক্রির চাপ ছড়িয়ে পড়েছে, বিশ্লেষকরা বলছেন এর বিপরীতে বিদেশি ক্রয়ের কার্যক্রম প্রায় চোখেই পড়েনি।
| শেয়ার | বিদেশি মালিকানার পরিবর্তন (আগস্ট) | আনুমানিক বিক্রির পরিমাণ |
|---|---|---|
| সিটি ব্যাংক | -১.৭২ শতাংশ পয়েন্ট | ৯০ কোটি টাকা |
| ব্র্যাক ব্যাংক | -০.৫৭ শতাংশ পয়েন্ট | ৮০ কোটি টাকা |
| প্রাইম ব্যাংক | -০.৩৫ শতাংশ পয়েন্ট | ১২.৩০ কোটি টাকা |
| স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস | -০.০৪ শতাংশ পয়েন্ট | ৭.৫ কোটি টাকা |
এই ধারা আগস্টের অনেক আগে থেকেই শুরু
আগস্টের এই সংখ্যাগুলো গুরুত্বপূর্ণ কারণ এগুলো হঠাৎ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং একটা চলমান ধারারই ধারাবাহিকতা। বিডি ফাইন্যান্সিয়াল রিভিউর নিজস্ব প্রতিবেদনে দেখা গেছে, অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই বাজার চাপে ছিল, ১ সেপ্টেম্বর টানা ১৩ কার্যদিবস দরপতনের পর ডিএসইএক্স দুই মাসের সর্বনিম্নে নেমেছিল, আর এক সপ্তাহ পরই জ্বালানি সংকটের কারণে সূচক আড়াই মাসের সর্বনিম্নে পৌঁছায়। এই দুই ঘটনাতেই বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শুধু দর্শক ছিলেন না, সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন।
বছরের শুরুর দিকের লেনদেনের তথ্য একই গল্প বলছে, তবে একটু ভিন্নভাবে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিদেশি পোর্টফোলিও লেনদেনের কার্যক্রম আসলে ২৫ শতাংশ বেড়ে চার বছরের সর্বোচ্চে পৌঁছেছিল, সাপ্তাহিক গড় লেনদেন প্রায় ৩,৯৪৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৪,৯৪৩ কোটি টাকা হয়েছিল। কিন্তু লেনদেনের পরিমাণ বাড়া মানেই বিদেশিরা বেশি কিনছিলেন তা নয়। ডিএসই কর্মকর্তারা বলছেন, অর্থবছরের বেশিরভাগ সময়েই বিদেশিরা ছিলেন নিট বিক্রেতা, ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে ভারী বিক্রি হয়েছিল, নতুন সরকার গঠনের পর সংক্ষিপ্ত একটা ঘুরে দাঁড়ানো দেখা গিয়েছিল, তারপর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শুরু হওয়ার পর বিক্রির চাপ আবার বেড়েছিল, আর জুনে তা আরও তীব্র হয়। অর্থাৎ, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের শেয়ারে লেনদেন আরও সক্রিয়ভাবে করছেন, অথচ একই সঙ্গে বাজারে তাদের প্রকৃত মালিকানার অংশ ধীরে ধীরে কমিয়ে আনছেন, যা আতঙ্কজনিত বিক্রির চেয়ে বরং দেশ থেকে ধীর, পরিকল্পিত পুঁজি সরিয়ে নেওয়ার মতো দেখাচ্ছে।
জুলাইয়ের শেষদিকের একটা নির্দিষ্ট ঘটনা দেখায় স্থানীয় নিয়ন্ত্রক সিদ্ধান্তের প্রতি এই অবস্থান কতটা স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। ২৫ জুলাই ডিএসইএক্স ৯৬ পয়েন্ট বা ১.৬৩ শতাংশ কমে ৫,৮০৪.৩০ পয়েন্টে নেমে আসে, তিন সপ্তাহের উত্থানের ধারা থেমে যায়, কারণ সিকিউরিটিজ কমিশন কিছু বীমা কোম্পানির শেয়ারকে বাদ দিয়ে নতুন মার্জিন ঋণ বিধিনিষেধের প্রস্তাব করেছিল। ওই সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ২৮ শতাংশ কমে যায়। শুধু ২১ জুলাই বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিক্রির দিক থেকে ৩.৩১ শতাংশ লেনদেন করেছেন অথচ কেনার দিক থেকে মাত্র ০.২৩ শতাংশ, আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে বিদেশি ক্রয় শূন্যে নেমে আসে যেখানে বিক্রি পৌঁছায় ২.৪৫ শতাংশে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও একই পথে হেঁটেছেন, পাঁচ কার্যদিবসের তিনটিতেই কেনার চেয়ে বেশি বিক্রি করেছেন, সর্বোচ্চ পর্যায়ে দৈনিক লেনদেনের ১০.১৮ শতাংশ পৌঁছায় বিক্রির দিকে। এই ঘটনা দেখায়, খুব বড় কোনো কড়া সিদ্ধান্ত ছাড়াই একটামাত্র প্রস্তাবিত নিয়ম বদল ইতিমধ্যে সতর্ক বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি বেরিয়ে যাওয়ার দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।
কেন প্রণোদনাগুলো কাজ করছে না
বাজার বিশ্লেষকরা এককালীন কোনো নিয়ম বা ঘোষণার চেয়ে গভীর কারণের কথা বলছেন। বিশ্বজুড়ে তহবিলগুলো এখন উন্নত বাজারের দিকে ঝুঁকছে আর ঝুঁকিপূর্ণ ফ্রন্টিয়ার ও উদীয়মান বাজার থেকে সরে যাচ্ছে, একটা প্রবণতা যা গত এক বছরে ভারতীয় শেয়ারবাজারকেও আঘাত করেছে। বাংলাদেশের মূলধনী মুনাফা কর ব্যবস্থাকে প্রায়ই প্রাতিষ্ঠানিক অর্থের জন্য একটা নির্দিষ্ট বাধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যাদের কাছে অন্য জায়গায় সস্তা আর বেশি তারল্যপূর্ণ বিকল্প আছে। এর সঙ্গে আরও কাছের কিছু উদ্বেগ যুক্ত হয়েছে, যেমন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেতৃত্বে পরিবর্তন, সুদহারের ব্যবধানের ওপর নিয়ন্ত্রক সীমা, আর বেশ কয়েকজন বিশ্লেষকের কণ্ঠে একটা বড় আশঙ্কা যে, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ আর্থিক ব্যবস্থাকে বাজারভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের বদলে একটা নির্দেশনামূলক অর্থনীতির দিকে ঠেলে দিতে পারে। এক বিশ্লেষক সরাসরি বলেছেন, এই ধরনের হস্তক্ষেপ বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদে থাকার বদলে অন্য জায়গায় তহবিল সরিয়ে নিতে উৎসাহিত করে।
এই মিশ্র পরিস্থিতিই ব্যাখ্যা করে কেন অনাবাসী লেনদেনের কাগজপত্রের বোঝা কমানো বা লভ্যাংশ প্রত্যাবাসনকে কর সনদের সঙ্গে সমন্বয় করার মতো তুলনামূলক বিনিয়োগবান্ধব পদক্ষেপগুলো একাই এই প্রবাহ উল্টে দিতে পারছে না। একটা প্রশাসনিক বাধা দূর করা প্রান্তিক ঘর্ষণ কমায়, কিন্তু এতে কর ব্যবস্থা, নীতির ধারাবাহিকতা কিংবা আর্থিক খাত তদারকির দিকনির্দেশনা নিয়ে উদ্বেগ দূর হয় না, যেগুলোকেই বিনিয়োগকারীরা তাদের সিদ্ধান্তের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলা বিষয় বলে মনে করেন।
কেন ব্যাংক শেয়ারগুলোই সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খাচ্ছে
আগস্টে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বিক্রির শিকার হওয়া চারটি শেয়ারের মধ্যে তিনটি, সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক আর প্রাইম ব্যাংক, যে ব্যাংকিং খাতের তা কাকতালীয় নয়। বিদেশি পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপকরা ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোকে সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থার স্বাস্থ্যের প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবহার করে এসেছেন, কারণ ব্যাংকগুলোই এক্সচেঞ্জের সবচেয়ে তরল আর সবচেয়ে বেশি তথ্য প্রকাশ করা শেয়ারের মধ্যে পড়ে। এই কারণেই খাত নিয়ে মনোভাব বদলালে এই শেয়ারগুলোই সবার আগে বিক্রি হয়, আর এ বছর বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে মনোভাবের বিপক্ষে অনেক কিছুই কাজ করেছে, জুনে খেলাপি ঋণের হার মোট পাওনা ঋণের ৩২.৭৮ শতাংশে পৌঁছানো, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে ঘুষ কেলেঙ্কারি যার জেরে ১৩ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হয়েছে, আর ছয় বছরের মধ্যে প্রথমবার বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার কমানোর পরও বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৩৩ বছরের সর্বনিম্নে নেমে যাওয়া। কোনো বিদেশি তহবিল ব্যবস্থাপক যখন বাংলাদেশি ব্যাংকের শেয়ার ধরে রাখবেন কিনা তা ভাবেন, তখন কার্যত এই সবকিছুই একসঙ্গে বিবেচনা করেন, যা ব্যাখ্যা করে কেন প্রকৃত বিক্রির আদেশগুলো টাকার অঙ্কে অপেক্ষাকৃত ছোট হলেও ব্যাংকগুলো অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বেশি পরিমাণ পুঁজি বহিঃপ্রবাহ সহ্য করেছে।
সামনে যা দেখার আছে
দিগন্তে একটা উজ্জ্বল দিক হলো এমএসসিআইয়ের সিদ্ধান্ত, নভেম্বর থেকে বাংলাদেশের জন্য নিয়মিত সূচক পর্যালোচনা আবার শুরু হবে, যা প্রাসঙ্গিক সূচকে দেশের অবস্থান উন্নত হলে দীর্ঘমেয়াদে কিছু প্যাসিভ বিদেশি বিনিয়োগ ফিরিয়ে আনতে পারে। নিয়ন্ত্রকরা সেপ্টেম্বরে ঘোষিত ডাইরেক্ট লিস্টিং পুনরুজ্জীবনের সঙ্গে আরও কঠোর, প্রযুক্তিনির্ভর বাজার তদারকির প্রতিশ্রুতিও জুড়ে দিচ্ছেন, যাতে বিনিয়োগকারীরা আশ্বস্ত হন যে নীতিগত খুঁটিনাটি এখনো অমীমাংসিত থাকলেও বাজারের মৌলিক স্বচ্ছতা উন্নত হচ্ছে। এই দুটি পদক্ষেপ বিদেশি পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপকদের হিসাব-নিকাশে বাস্তবিক পরিবর্তন আনতে পারে কিনা, তা সম্ভবত পুরো একটা প্রান্তিকের মালিকানার তথ্য না দেখা পর্যন্ত স্পষ্ট হবে না, যখন সেপ্টেম্বরের নতুন সংস্কারগুলোর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ডিএসইর মাসিক তথ্যপ্রকাশে ধরা পড়বে।
তথ্যসূত্র
এরপর পড়ুন
ষোলো বছর পর ডিরেক্ট লিস্টিং ফেরাচ্ছে বিএসইসি, ধুঁকতে থাকা বাজারে বড় কোম্পানি টানার চেষ্টা
বাংলাদেশের শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক ষোলো বছর ধরে বন্ধ থাকা ডিরেক্ট লিস্টিং পদ্ধতি ফেরানোর খসড়া বিধিমালা অনুমোদন করেছে, লক্ষ্য বহুজাতিক আর বড় পারিবারিক কোম্পানিগুলোকে এমন এক শেয়ারবাজারে টেনে আনা যা সবেমাত্র আড়াই মাসের সর্বনিম্নে নেমেছে। ইউনিলিভার, নেসলে বাংলাদেশ আর বিকাশসহ ষোলোটি বড় প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে বিএসইসির সঙ্গে বৈঠক করেছে, আর নিয়ন্ত্রক সংস্থা এর সঙ্গে জুড়ে দিচ্ছে এআই নজরদারি আর একই দিনে নিষ্পত্তির উদ্যোগ। কর্মকর্তারা বলছেন, স্বেচ্ছায় তালিকাভুক্ত না হলে ভবিষ্যতে বাধ্যও করা হতে পারে।
জ্বালানি সংকটের প্রভাবে আড়াই মাসের সর্বনিম্নে ঢাকার শেয়ারবাজার
প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১০৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৮৩ শতাংশ কমে ৫,৫৫৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে, যা প্রায় আড়াই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। মহেশখালী এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগার পর গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হয়ে কারখানার উৎপাদন আর মুনাফায় চাপ পড়েছে। বিনিয়োগকারীরা সতর্ক হয়ে ওঠায় লেনদেন কমেছে ২৪ শতাংশ, লেনদেন হওয়া ৩৮৯টির মধ্যে ৩৪৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে। বিরোধী জোটের লংমার্চ ঘিরে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাও এই চাপ আরও বাড়িয়েছে।