স্বর্ণ ও রৌপ্য

স্বর্ণের দাম আপডেট: তিন দিনে দুই দফা কমিয়ে বাজুস ২২ ক্যারেট সোনার দাম নামাল ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকায়

২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬7 মিনিটের পড়া

আগস্টের সেই টানা দাম ওঠানামার পর সেপ্টেম্বরে এসে সোনার বাজার এখন কিছুটা স্থির, তবে দাম নিম্নমুখী। বাজুস তিন দিনে দুই দফায় ২২ ক্যারেট সোনার দাম কমিয়েছে, ২৯ ও ৩১ আগস্ট, প্রতি ভরিতে মোট ১১,৪৮৯ টাকা কমেছে। ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নতুন এই কম দামই স্থির আছে, সঙ্গে কমেছে রূপার দামও। আমাদের আগের প্রতিবেদনের পর কী বদলেছে, আর গয়না কিনতে চাইলে এখন কী মাথায় রাখবেন, তা নিয়েই এই প্রতিবেদন।

আগস্ট মাস জুড়ে সোনার দাম নিয়ে যে টানাপোড়েন চলছিল, সেপ্টেম্বরে এসে বাজার যেন একটু দম নিয়েছে, তবে দাম কমার দিকেই। আমরা আগে যে প্রতিবেদনে আগস্টের সেই নাটকীয় দাম ওঠানামার কথা লিখেছিলাম, তার পর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) তিন দিনে দুই দফায় ২২ ক্যারেট সোনার দাম কমিয়ে দিয়েছে, মোট ১১,৪৮৯ টাকা কমেছে প্রতি ভরিতে। আর এই নতুন কম দামটাই এখন টানা দুই দিন ধরে স্থির আছে, সেপ্টেম্বরের শুরুতে যা বাজারের জন্য একরকম স্বস্তির খবর, কারণ আগস্টে এমন স্থিরতা তেমন দেখা যায়নি। চলুন দেখি, আমাদের আগের প্রতিবেদনের পর আসলে কী বদলেছে, আজ ২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে সোনার দাম কোথায় দাঁড়িয়ে, আর এই মাসে গয়না কিনতে চাইলে কী মাথায় রাখা দরকার।

তিন দিনে দুই দফা কমল দাম

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাজুস পরপর দুইবার দাম কমিয়েছে। ২৯ আগস্ট ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে ৭,১১৫ টাকা কমানো হয়। এর দুই দিন পর, ৩১ আগস্ট, আবার দাম কমানো হয়, এবার ৪,৩৭৪ টাকা। দুই দফা মিলিয়ে এক সপ্তাহেরও কম সময়ে ২২ ক্যারেট সোনার দাম থেকে মোট ১১,৪৮৯ টাকা কমে গেছে। এটা মোটেও ছোটখাটো ব্যাপার না, বিশেষ করে যখন মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই সোনার বাজার আলোচনায় ছিল ঠিক উল্টো কারণে, আগস্ট মাসে ২২ ক্যারেট ভরির দাম প্রায় ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছিল, পরে মাস শেষে তা নেমে এসেছিল প্রায় ২ লাখ ৪১ হাজার টাকায়।

হিসাব করলে দেখা যায়, ২৯ আগস্টের কাটের ঠিক আগে ২২ ক্যারেট ভরির দাম ছিল আনুমানিক ২,৪৭,৭৪৩ টাকা। প্রথম দফা কমার পর তা নেমে আসে প্রায় ২,৪০,৬২৮ টাকায়, আর ৩১ আগস্টের দ্বিতীয় দফা কমার পর তা স্থির হয় ২,৩৬,২৫৪ টাকায়, যেখানে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এটাই আছে। অর্থাৎ, আমাদের আগের প্রতিবেদনের পর সোনার দাম শুধু থেমে থাকেনি, বরং আরও কমেছে, তবে এবার আগস্টের মতো এলোমেলো ওঠানামা নয়, বরং পরিষ্কার দুই ধাপে।

আজ ২২ ক্যারেট সোনার ভরি প্রতি দাম কত

৩১ আগস্ট সকাল ১০টার হিসাবে, এবং প্রবাসী দিগন্তের লাইভ দাম ট্র্যাকিং অনুযায়ী ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একই দাম বহাল আছে, বাজুস নির্ধারিত দাম (ভ্যাটসহ) নিম্নরূপ:

২২ ক্যারেট সোনা: ভরি প্রতি ২,৩৬,২৫৪ টাকা

২১ ক্যারেট সোনা: ভরি প্রতি ২,২৫,৬৪০ টাকা

১৮ ক্যারেট সোনা: ভরি প্রতি ১,৯৩,৭৩৯ টাকা

সনাতন পদ্ধতির সোনা: ভরি প্রতি ১,৫৮,২৮০ টাকা

গ্রামের হিসাবে যারা ভাবতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তাদের জন্য বলি, এক ভরি সমান ১১.৬৬৪ গ্রাম। সেই হিসাবে ২২ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়ায় প্রায় ২০,২৫৮ টাকা প্রতি গ্রাম, ২১ ক্যারেট প্রায় ১৯,৩৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রায় ১৬,৬১৯ টাকা, আর সনাতন সোনা প্রায় ১৩,৫৭৭ টাকা প্রতি গ্রাম। ৩১ আগস্টের কাট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই দামগুলো এক পয়সাও নড়েনি, আর সেটাই এখানকার আসল খবর। এক মাস ধরে যে বাজার শুধু ওঠানামার জন্যই পরিচিত ছিল, সেই বাজার এখন দুই থেকে তিন দিন ধরে একই জায়গায় স্থির আছে, যা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কাছাকাছি স্থিতিশীলতা।

২২ ক্যারেট সোনার দামের প্রবণতা: কাটের আগের দাম থেকে বাজুসের দুই দফা কমানোর পর ২ সেপ্টেম্বরের দাম পর্যন্ত।

কেন কমল সোনার দাম

বাজুসের ব্যাখ্যা ছিল সংক্ষিপ্ত। উভয় দফা দাম কমানোর কারণ হিসেবে সংস্থাটি বলেছে, স্থানীয় বাজারে "তেজাবি (খাঁটি) সোনার দাম কমে যাওয়া"। তেজাবি সোনা বলতে বোঝায় সেই পরিশোধিত, প্রায় খাঁটি বুলিয়ন, যা জুয়েলারিরা কাঁচামাল হিসেবে বেঞ্চমার্ক ধরেন, তারপর তার সঙ্গে মজুরি ও ক্যারেট অনুযায়ী দাম যোগ করা হয়। তাই তেজাবি সোনার দাম কমলে স্বাভাবিকভাবেই ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট গয়নার খুচরা দামও কমে যায়। তবে বাজুস এর পেছনের গভীর কারণ, অর্থাৎ এটা আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব, নাকি টাকার মান বৃদ্ধি, নাকি স্থানীয় চাহিদা কমে যাওয়া, নাকি এই তিনটার মিশ্রণ, তা স্পষ্ট করেনি। আপাতত জুয়েলারি ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ক্রেতা সবাই এই একই সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করছেন, আর ৩১ আগস্টের পর বাজুসের পক্ষ থেকে নতুন কোনো বিবৃতি আসেনি।

রূপার দামও কমেছে, তবে কোন দামটা দেখছেন সেটা খেয়াল রাখুন

রূপার দামও নিম্নমুখী হয়েছে, তবে এখানে একটু সতর্ক থাকতে হবে, কারণ বাজারে এখন দুই ধরনের সম্পূর্ণ আলাদা দাম হিসাব চালু আছে। খুচরা বাজারে, বাজুসের ২২ ক্যারেট রূপার গয়নার দাম ৩১ আগস্ট ১৭৫ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ৫,১৩২ টাকা প্রতি ভরি, গোনার দাম কমার সঙ্গে সঙ্গেই এটাও কমেছে। এই দামটাই কাজে লাগবে যদি আপনি দোকানে গিয়ে রূপার বালা বা চেইন কিনতে চান।

এর বাইরে, livepriceofgold.com থেকে পাওয়া লাইভ বুলিয়ন দাম, ২ সেপ্টেম্বর অনুযায়ী, ৯৯৯ ফাইন রূপার দাম দেখাচ্ছে প্রায় ২৫১ টাকা প্রতি গ্রাম, প্রায় ৭,৮০৭ টাকা প্রতি ট্রয় আউন্স, আর প্রায় ২,৯২৮ টাকা প্রতি তোলা। এটা একেবারেই আলাদা এক হিসাব, স্পট মার্কেটের বিনিয়োগমানের রূপা, যা আন্তর্জাতিক দামের সঙ্গে যুক্ত, যেখানে বিশ্ববাজারে রূপার দাম ছিল প্রায় ৬৩.৪১ থেকে ৬৪.৩৩ ডলার প্রতি আউন্সের মধ্যে, দিনশেষে প্রায় ০.৭৭ শতাংশ কমতির দিকে। এই দুই রূপার দাম, অর্থাৎ বাজুসের খুচরা গয়নার দাম আর ফাইন বুলিয়নের স্পট দাম, একদমই একরকম জিনিস মাপে না, তাই এই দুটোকে কখনোই একসঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। একটা হলো দোকানের কাউন্টারে তৈরি ২২ ক্যারেট রূপার গয়নার দাম, অন্যটা আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত বিশুদ্ধ বুলিয়নের বেঞ্চমার্ক দাম। তবে দুটোই এই সপ্তাহে একই দিকে গেছে, বাংলাদেশে রূপার দামও সোনার সঙ্গে সঙ্গে নরম হয়েছে।

দাম কমায় ক্রেতাদের জন্য কী অর্থ দাঁড়ায়

যারা আগস্টের সর্বোচ্চ দামের সময় গয়না কেনা পিছিয়ে রেখেছিলেন, তাদের জন্য এখনকার পরিস্থিতি সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে ভালো সময়। আগস্টের সর্বোচ্চ দামের সময় ২২ ক্যারেট ভরির দাম প্রায় ২.৪৮ লাখ টাকা ছুঁয়েছিল, আজ তা দাঁড়িয়ে আছে ২,৩৬,২৫৪ টাকায়, অর্থাৎ প্রতি ভরিতে ১০ হাজার টাকারও বেশি পার্থক্য। বিয়ের গয়না বা সাধারণ সোনা সঞ্চয়ের জন্য বাজেট করার সময় এই পার্থক্যটা মোটেও ছোট নয়। এটা সত্যিকারের একটা তলানি নাকি পরবর্তী ওঠানামার আগে সাময়িক বিরতি, তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন, কারণ তেজাবি সোনার দাম সামনে কোন দিকে যাবে সে বিষয়ে বাজুস কিছু বলেনি। তবে আমাদের আগের প্রতিবেদনের পর থেকে প্রবণতা টানা নিম্নমুখী, আগস্টের সর্বোচ্চ দামের দিকে আবার ফিরে যাওয়ার কোনো লক্ষণ এখনো নেই।

রূপার ক্রেতারাও কিছুটা সুবিধা পাচ্ছেন, প্রতি ভরিতে ১৭৫ টাকা কমা খুব বড় কিছু না হলেও, বিশ্ববাজারে রূপার স্পট দাম নরম থাকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে বোঝা যায় এই ধাতুও স্রোতের বিপরীতে যাচ্ছে না।

ভ্যাট আর মজুরি খরচের কথা প্রায়ই ভুলে যান ক্রেতারা

বাজুস নতুন দাম প্রকাশ করার প্রতিবার একটা কথা মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, উপরের ভরি প্রতি দামগুলোতে সোনার মূল্যের ওপর ভ্যাট আগে থেকেই যুক্ত আছে। কিন্তু দোকানে গিয়ে একটা আসল গয়না কিনতে গেলে আপনাকে এর চেয়ে বেশি টাকা গুনতে হবে। প্রবাসী দিগন্তের লাইভ দামের সঙ্গে প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, ক্রেতাদের বাজুসের ঘোষিত দামের ওপরে আরও ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং সর্বনিম্ন প্রায় ৩,৫০০ টাকা মজুরি খরচ যোগ করে বাজেট রাখা উচিত। বাস্তবে এর মানে হলো, দোকানের মজুরি ও ডিজাইন খরচ যোগ হওয়ার পর এক ভরি তৈরি ২২ ক্যারেট গয়নার দাম খবরে প্রকাশিত ২,৩৬,২৫৪ টাকার চেয়ে বেশ কিছুটা বেশি পড়বে। খবরে দেখা ভরির দামের সঙ্গে দোকানে গিয়ে যা দিতে হয় তার মিল না পেয়ে অনেকেই মনে করেন কোথাও ভুল হচ্ছে, আসলে এই পার্থক্যটাই মজুরি খরচ, কোনো ভুল নয়।

আগস্টের রোলারকোস্টারের সঙ্গে তুলনা করলে

এই প্রতিবেদন আগস্টের শেষে প্রকাশিত আমাদের আগের লেখার চেয়ে ঠিক কোথায় আলাদা, সেটা স্পষ্ট করে বলা দরকার। সেই প্রতিবেদনে ছিল সত্যিকারের এক অস্থির মাসের গল্প, যেখানে ২২ ক্যারেট ভরির দাম প্রায় ২.২৩ লাখ থেকে ২.৪৮ লাখ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে শেষে প্রায় ২.৪১ লাখ টাকায় স্থির হয়েছিল। তারপর যা ঘটেছে তা সেই অস্থিরতারই পুনরাবৃত্তি নয়, বরং একটা নিয়ন্ত্রিত দুই-ধাপের পশ্চাদপসরণ, ২৯ আগস্ট ৭,১১৫ টাকা কাট, ৩১ আগস্ট আরও ৪,৩৭৪ টাকা কাট, আর তারপর, লক্ষণীয়ভাবে, ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরবর্তী দুই থেকে তিন দিনে আর কোনো পরিবর্তন নেই। আগস্টের গল্পটা ছিল এক মাসে দাম কতটা দ্রুত আর কতদূর যেতে পারে তা নিয়ে, সেপ্টেম্বরের শুরুর গল্পটা এখন পর্যন্ত এমন একটা বাজার নিয়ে যেটা জোরে কমিয়ে তারপর থেমে গেছে।

তবে এর মানে এই না যে স্থিতিশীলতা টিকেই থাকবে। স্থানীয় গণমাধ্যমের বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী এই বছর এখন পর্যন্ত বাজুস ৩০ বারেরও বেশি ২২ ক্যারেট সোনার দাম পরিবর্তন করেছে, আর তেজাবি সোনার দাম এখনো আন্তর্জাতিক বুলিয়ন প্রবণতা, ডলারের বিনিময় হার আর আমদানি খরচের সঙ্গে সংবেদনশীল, যেকোনোটাই সামান্য পূর্বাভাস ছাড়া স্থানীয় দামকে যেকোনো দিকে ঠেলে দিতে পারে। তারপরও, আজ যে কেউ বাংলাদেশে সোনার দাম খুঁজলে তিন দিন আগে যে দাম পেতেন এখনও সেই একই দাম পাবেন, বাজার স্থির হওয়ার অপেক্ষায় থাকা ক্রেতাদের জন্য এই তথ্যটুকু জানা জরুরি।

শেষ কথা

এক সপ্তাহ আগের তুলনায় আজ বাংলাদেশে সোনার দাম কম, আর আগস্টের সর্বোচ্চ দামের তুলনায় তো অনেকটাই কম। ২২ ক্যারেট ভরির দাম নেমে এসেছে ২,৩৬,২৫৪ টাকায়, ২১ ক্যারেট ২,২৫,৬৪০ টাকায়, আর ১৮ ক্যারেট ১,৯৩,৭৩৯ টাকায়, তিন দিনে বাজুসের মোট ১১,৪৮৯ টাকার দুই দফা কাটের পর, আর এই সবকটি দামেই শুধু সোনার মূল্যের ওপর ভ্যাট যুক্ত আছে। রূপার খুচরা গয়নার দামও একই পথে নিম্নমুখী হয়েছে, যদিও আলাদা ফাইন-বুলিয়ন রূপার বাজারে নিজস্ব, অসম্পর্কিত এক নরম প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যারা এই মাসে গয়না কেনার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য আগস্টের সর্বোচ্চ দামের তুলনায় এখনকার দাম অনেকটাই সহনীয়, শুধু মনে রাখতে হবে যে কোনো তৈরি গয়নার সঙ্গে বাড়তি ভ্যাট আর মজুরি খরচ যোগ হবে।


মন্তব্য

    এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে সাইন ইন করুন

এরপর পড়ুন

সোনার দামে রোলারকোস্টার: এক মাসে ভরিতে ২৫ হাজার টাকার উত্থান-পতন কেন?

চার সপ্তাহেরও কম সময়ে বাংলাদেশে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে ২ লাখ ২৩ হাজার টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা ছুঁয়ে আবার নেমে এসেছে ২ লাখ ৪১ হাজার টাকায়। বিয়ের গয়না কিনতে চান, নাকি সঞ্চয় হিসেবে সোনা রাখছেন, অথবা শুধু বুঝতে চান দোকানের রেট কেন বারবার বদলায় তাহলে জেনে নিন আসলে কী এই দাম ওঠানামার পেছনে, আর আপনার পরের কেনাকাটার জন্য এর মানে কী।