ব্যাংকিং ও এফডিআর

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার ৩২.৭৮ শতাংশে, দশ ব্যাংকের হাতেই ৭২ শতাংশ

১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬5 মিনিটের পড়া

২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২.৭৮ শতাংশে, আর মোট ৬,০৬,৫৫৫ কোটি টাকার খেলাপি ঋণের ৭২ শতাংশের বেশি আটকে আছে মাত্র দশটি ব্যাংকে। তালিকার শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, জনতা ব্যাংক আর ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, যাদের কয়েকটির খেলাপি হার এখন ৯০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বড় খেলাপিদের জন্য পুনঃতফসিলের মেয়াদ বাড়িয়ে আর জামানত যাচাইয়ের নতুন উদ্যোগ নিয়ে সাড়া দিলেও, কর্মকর্তারা নিজেরাই বলছেন সংকটের শিকড় অনেক গভীরে।

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের বোঝা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি, আর এই সপ্তাহে প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন তথ্যে দেখা যাচ্ছে সমস্যাটা কতটা অসম জায়গায় জমা হয়েছে। মাত্র দশটি ব্যাংকের হাতেই সারা খাতের মোট খেলাপি ঋণের ৭২ শতাংশের বেশি আটকে আছে, এমন ঘনত্ব দেখে ব্যাংকার আর অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কিছু ব্যাংক এখন বাণিজ্যিক ঋণদাতার চেয়ে বরং নির্দিষ্ট কিছু পছন্দের গ্রাহকের অর্থায়ন সংস্থার মতো চলছে।

পুরো খাত জুড়ে অবনতি

২০২৬ সালের জুন শেষে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের মোট শ্রেণিকৃত ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬,০৬,৫৫৫ কোটি টাকায়, যা মোট বিতরণকৃত ঋণের প্রায় ৩২.৭৮ শতাংশ। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড আর দ্য ডেইলি স্টার এই সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য উদ্ধৃত করে এই হিসাব দিয়েছে। শুধু এই এক প্রান্তিকেই নতুন করে যোগ হয়েছে ১৭,৮৫১ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ, মার্চ মাসে যা ছিল ৫,৮৮,৭০৪ কোটি টাকা। দীর্ঘমেয়াদি হিসাবে চিত্রটা আরও ভয়াবহ। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণের হার ছিল ২০.২০ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বেড়ে দাঁড়ায় ৩০.৬০ শতাংশে, আর তারপর থেকে সেটা বাড়তেই আছে। সহজ কথায়, বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো যত টাকা ঋণ দিয়েছে তার প্রায় এক তৃতীয়াংশই এখন নিয়ম মেনে ফেরত আসছে না, আর কেন্দ্রীয় ব্যাংক একের পর এক পদক্ষেপ নিলেও এই অবনতির গতি কমছে না।

ক্ষতি জমেছে কোথায়

এবারের হিসাবে সবচেয়ে চিন্তার বিষয় শুধু মোট অংক নয়, বরং সেটা কতটা কেন্দ্রীভূত তা। দশটি ব্যাংক মিলে ৪,৩৯,৫২৭ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ বহন করছে, যা পুরো খাতের মোট খেলাপি ঋণের ৭২ শতাংশের বেশি, আর এতটা বোঝা জমে আছে হাতে গোনা কয়েকটি ব্যাংকের ব্যালান্স শিটে। অংকের হিসাবে সবচেয়ে ওপরে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, যাদের খেলাপি ঋণ ৯৮,৯১৪ কোটি টাকা, যা তাদের বিতরণকৃত ঋণের প্রায় ৫২ শতাংশ। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে এই ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ছিল ৯২,১১৫ কোটি টাকা, অর্থাৎ মাত্র ছয় মাসে তা বেড়েছে ৬,৭৯৯ কোটি টাকা, যা দেখাচ্ছে এস আলম গ্রুপের মনোনীত পরিচালকরা সরে যাওয়ার পরও এই অবনতি থেমে নেই।

ব্যাংকখেলাপি ঋণ (কোটি টাকা)ওই ব্যাংকের মোট ঋণের অংশ
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ৯৮,৯১৪৫২.১৫%
জনতা ব্যাংক৭৫,৭২৯৭৫.০৫%
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক৬০,৬৪৫৯৭.০৮%
এক্সিম ব্যাংক৩৮,০৫৩৭১%
অগ্রণী ব্যাংক৩২,১৩৩৪৩.৯৮%
ন্যাশনাল ব্যাংক২৮,২৭৬৬৫.৪৬%
আইএফআইসি ব্যাংক২৮,৫২০৬৩.৩৮%
ইউনিয়ন ব্যাংক২৭,১৩৪৯৬.৭৮%
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক২৯,৭৯৯৭৮.১৫%
এবি ব্যাংক২০,৩২৫৫৬.০৪%

এদের কয়েকটি ব্যাংক এখন যেন গর্ত থেকে ঋণ দিচ্ছে, গর্তের বাইরে থেকে নয়। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক আর ইউনিয়ন ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ৯৬ শতাংশের বেশি, অর্থাৎ তাদের বইয়ে থাকা প্রায় কোনো ঋণই স্বাভাবিকভাবে পরিশোধ হচ্ছে না। দেশের অন্যতম বড় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক জনতা ব্যাংকে খেলাপি ঋণের প্রায় ৮০ শতাংশই জমা মাত্র বিশজন খেলাপির কাছে, আর দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী শুধু বেক্সিমকো গ্রুপের কাছেই এই ব্যাংকের প্রায় ২৫,০০০ কোটি টাকা আটকে আছে। অন্যদিকে ইসলামী ব্যাংকের সমস্যার শিকড় সেই সময়ে, যখন এস আলম গ্রুপ কার্যত ব্যাংকটি নিয়ন্ত্রণ করত আর নিজেদের ছত্রছায়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে বড় অংশের ঋণ ঘুরিয়ে দিত, এমন প্রবণতা নিয়ন্ত্রক আর গবেষকরা কয়েক বছর ধরেই সতর্ক করে আসছেন।

সংখ্যাগুলোর পেছনে কারণ কী

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালক মো. এজাজুল ইসলাম খাতের প্রায় ৩০ শতাংশ খেলাপি হারের একটা সরাসরি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, এর মধ্যে প্রায় দশ শতাংশ পয়েন্ট আসছে স্বাভাবিক অর্থনৈতিক চাপ থেকে, যেমন ব্যবসায় মন্থরতা, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি আর মুদ্রার চাপ, কিন্তু বাকি বিশ শতাংশ পয়েন্টের পেছনে আছে তার ভাষায় ইচ্ছাকৃত খেলাপি, অনিয়ম আর ঋণ অনুমোদন ও তদারকিতে সরাসরি দুর্নীতি। বিডি ফাইন্যান্সিয়াল রিভিউয়ের নিজস্ব সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও এমন প্যাটার্নই ধরা পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই সপ্তাহেই বড় ঋণের জামানত হিসেবে দেখানো সম্পদের প্রকৃত মূল্য যাচাই করতে ১৩১টি বাইরের ভ্যালুয়েশন প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে, যা কার্যত স্বীকার করে নেওয়া যে বছরের পর বছর ধরে বাড়িয়ে দেখানো সম্পদমূল্যের কারণে গ্রাহকরা তাদের প্রকৃত জামানতের চেয়ে অনেক বেশি ঋণ নিয়ে বেরিয়ে যেতে পেরেছেন।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও একই রকম স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, বর্তমান সংকট শুধু আবার আবার পুনঃতফসিল বা পুনর্গঠন করে সমাধান করা যাবে না। গত দুই বছরে নিয়ন্ত্রক সংস্থা যেভাবে পুনঃতফসিলের ওপর প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ভরসা করে এসেছে, তার প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাংবাদিকদের বলেছেন, তারা নগদ পরিশোধ ও পুনঃতফসিলের মাধ্যমে ঋণ আদায়ের চেষ্টা করছেন, আর গ্রাহকের বিরুদ্ধে মামলা করাকে এখন আর প্রথম পদক্ষেপ নয়, শেষ উপায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপ

ওই কর্মকর্তা যে পুনঃতফসিল নীতির কথা বলেছেন সেটা নিজেই একদম নতুন। আগস্টের শেষ দিকে জারি করা এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক বড় খেলাপিদের জন্য নীতি সহায়তা সুবিধা বাড়িয়ে দিয়েছে, যাদের বকেয়া ঋণ ১,০০০ কোটি টাকার বেশি তারা এখন দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ পনেরো বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিল করতে পারবেন, আগে যা ছিল সর্বোচ্চ দশ বছর। এর চেয়ে ছোট খেলাপিরা, অর্থাৎ ১,০০০ কোটি টাকার নিচে যাদের ঋণ, তারা আগের মতোই সর্বোচ্চ দশ বছর মেয়াদ পাবেন। আবেদন করার শেষ তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর, আর কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাইছে পুনর্গঠিত শর্তগুলো ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত হোক। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আগের দফায় সহায়তা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন আবার আবেদন করে আরও লম্বা মেয়াদ নিতে পারবে, যা নিয়ে কিছু ব্যাংকার ব্যক্তিগতভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে এতে বারবার খেলাপি হওয়া গ্রাহকরা প্রকৃত পরিশোধ না করেই কেবল সময় পিছিয়ে দিতে থাকবে।

লম্বা পুনঃতফসিল মেয়াদ আর বাইরের জামানত যাচাইয়ের এই যুগলবন্দি আসলেই পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দিতে পারবে কিনা, সেটা এখনো খোলা প্রশ্ন। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডে উদ্ধৃত মূল্যায়নে বিশ্বব্যাংক আলাদাভাবে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের দুর্বল কর্পোরেট গভর্নেন্স আর সংশ্লিষ্ট পক্ষের কাছে ঋণ দেওয়ার প্রবণতাকে কাঠামোগত ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যা কোনো একটি সার্কুলার বা ভ্যালুয়েশন উদ্যোগের চেয়ে অনেক গভীর সমস্যা। আপাতত খাতের মূল সংখ্যাগুলো একই দিকে এগোচ্ছে, ২০২৪ সাল থেকে প্রতি বছরই হার বেড়েছে, আর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দশটি ব্যাংকে এখনো পরিস্থিতি ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো ইঙ্গিত নেই।

এরপর কী হতে পারে

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর আমানতকারীরা ইতিমধ্যে দেখে ফেলেছেন প্রকৃত সংকট মোকাবিলা কেমন দেখতে হয়। বেশ কয়েকটি দুর্বল ইসলামি ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গত সপ্তাহে আমানতকারীদের জন্য টাকা তোলার সুযোগ খুলে দেওয়ার পর মাত্র চার কার্যদিবসে ৭৪ হাজারের বেশি গ্রাহক প্রায় ৩,৯২৫ কোটি টাকা দাবি করেছেন, যা ব্যাংকটির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ভাষায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বরাদ্দ করা ৫,০০০ কোটি টাকার তুলনায় স্বস্তিদায়কভাবেই সামলানো সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনা একটা ছোট পরীক্ষার সুযোগ দেয়, যা দেখায় খাতের অন্য জায়গায় দুর্বল ঋণের বই গুছিয়ে আনার প্রক্রিয়া কেমন হতে পারে। তবে আসল উত্তর মিলবে আগামী কয়েক মাসে, ৩০ সেপ্টেম্বরের পুনঃতফসিল সময়সীমা আর নতুন ভ্যালুয়েশন ব্যবস্থার বাস্তবায়ন শেষ পর্যন্ত ঠিক করে দেবে খেলাপি ঋণের রেখচিত্র সত্যিই বাঁক নেবে, নাকি আরও বড় সংকটের দিকে এগোতে থাকবে।

মন্তব্য

    এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে সাইন ইন করুন

এরপর পড়ুন

ঋণের জামানত অতিমূল্যায়ন ঠেকাতে ১৩১ প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করল বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণের জামানত হিসেবে রাখা সম্পদের স্বাধীন মূল্যায়নের জন্য দুই ভাগে ভাগ করা ১৩১টি প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করেছে। জমি, ভবন বা যন্ত্রপাতির দাম বাড়িয়ে দেখিয়ে বড় ঋণ বের করার যে পুরোনো কৌশল বছরের পর বছর জালিয়াতিতে ইন্ধন জুগিয়েছে, তা ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ। এক কোটি টাকার বেশি ঋণে এখন অনুমোদিত মূল্যায়নকারীর সম্মতি লাগবে, আর খেলাপি ঋণের হার বেশি এমন ব্যাংকের জন্য শর্ত আরও কঠোর। ব্যাংকাররা বলছেন এই কাঠামো জালিয়াতি আগেভাগে ধরতে সাহায্য করতে পারে, তবে তা নির্ভর করছে কতটা কঠোরভাবে তা প্রয়োগ হয় তার ওপর।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক উত্তোলন আপডেট: প্রথম ৪ দিনে উঠল ৩,৯২৫ কোটি টাকা, দৈনিক চাপ কমছে

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে টাকা তোলা শুরুর এক সপ্তাহ পর নতুন হিসাব বলছে, প্রথম চার কার্যদিবসে ৭৪ হাজার ২২১ জন গ্রাহক ৩,৯২৫ কোটি টাকা তোলার আবেদন করেছেন, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের বরাদ্দ করা ৫,০০০ কোটি টাকার মধ্যেই রয়েছে। প্রতিদিনই চাহিদা কমেছে, আর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেছেন সংখ্যাটা প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম।

অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের ডলার আমানত এখন আরও বেশি গ্রাহকের ঋণের জামানত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জারি করা বাংলাদেশ ব্যাংকের এক নতুন সার্কুলারে অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটে রাখা বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রায় ঋণ নেওয়ার সুযোগ আরও অনেক বেশি গ্রাহকের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। আগে যা মূলত কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, এখন থেকে ব্যক্তি গ্রাহক, ভোক্তা ঋণগ্রহীতা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরাও এই সুবিধা নিতে পারবেন। নির্দিষ্ট কোনো ঋণসীমা প্রকাশ করা হয়নি, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ডলার সঞ্চয়ে হাত না দিয়ে টাকায় ঋণের সুযোগ আরও প্রশস্ত করাই এর লক্ষ্য।