পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগ

টিকে গ্রুপের প্রতিষ্ঠানকে পলিয়েস্টার চিপ উৎপাদন প্রায় চারগুণ করতে ৫০ মিলিয়ন ডলার দিল এডিবি

১ অক্টোবর, ২০২৬5 মিনিটের পড়াহালনাগাদ ১০ অক্টোবর, ২০২৬
টিকে গ্রুপের প্রতিষ্ঠানকে পলিয়েস্টার চিপ উৎপাদন প্রায় চারগুণ করতে ৫০ মিলিয়ন ডলার দিল এডিবি

মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের টিকে গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মডার্ন সিনটেক্স লিমিটেডের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, যা এর পলিয়েস্টার চিপ উৎপাদন ক্ষমতা দৈনিক ১০৭ টন থেকে বাড়িয়ে ৪০৭ টনে নিয়ে যাবে আর স্বল্পমেয়াদি দেশীয় ঋণ পুনঃঅর্থায়ন করবে। এই সম্প্রসারণ বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজকে লক্ষ্য করে করা হচ্ছে, ঠিক এমন এক সময়ে যখন পোশাক রপ্তানিকারকদের সতর্ক করা হচ্ছে যে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা তাদের সোর্সিং আরও বেশি দেশের মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছে। আধুনিকীকৃত এই স্থাপনা বছরে প্রায় ৪,৮৪০ মেগাওয়াট ঘণ্টা জ্বালানি সাশ্রয় আর প্রায় ২,২২২ টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন কমাবে বলেও আশা করা হচ্ছে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি বাংলাদেশের টিকে গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মডার্ন সিনটেক্স লিমিটেডের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলারের একটা অর্থায়ন প্যাকেজ অনুমোদন করেছে, যা দেশের একমাত্র কন্টিনিউয়াস পলিমারাইজেশন প্ল্যান্টের সক্ষমতা প্রায় চারগুণ করে তুলবে, পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি দেশীয় ঋণও পুনঃঅর্থায়ন করবে। এই চুক্তি আসলে বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজের ওপর একটা বাজি, ঠিক এমন এক সময়ে যখন পোশাক রপ্তানিকারকদের নিজস্ব বাণিজ্য সংগঠনই বলছে, আন্তর্জাতিক ক্রেতারা চুপিসারে তাদের ক্রয়াদেশ আরও বেশি সরবরাহকারী দেশের মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছে, যার ফলে দেশীয় সরবরাহ চেইনের গভীরতা আগের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান হয়ে উঠেছে।

এই অর্থ দিয়ে কী কেনা হবে

মডার্ন সিনটেক্স চট্টগ্রামের মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে কার্যক্রম চালায়, বড় বন্দর আর লজিস্টিক অবকাঠামোর কাছাকাছি হওয়ার কারণে এই জায়গা বেছে নেওয়া হয়েছিল, আর এডিবির এই অর্থায়ন প্ল্যান্টের দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১০৭ টন থেকে বাড়িয়ে ৪০৭ টনে নিয়ে যাবে, প্রায় ২৮০ শতাংশ বৃদ্ধি। সম্প্রসারিত এই স্থাপনা উচ্চ ইন্ট্রিনসিক ভিসকোসিটির পলিয়েস্টার চিপ তৈরি করবে, যা প্রিমিয়াম বস্ত্র আর পোশাক পণ্যে ব্যবহৃত হয়, আর এটা সেইসব বাংলাদেশি বস্ত্র প্রস্তুতকারকদের সরবরাহ করবে যারা এখন তাদের সবচেয়ে উঁচুমানের উৎপাদনের জন্য মূলত আমদানি করা চিপের ওপর নির্ভর করেন। ৫০ মিলিয়ন ডলারের একটা অংশ বিদ্যমান স্বল্পমেয়াদি দেশীয় কার্যকরী মূলধন ঋণও পুনঃঅর্থায়ন করবে, যা মডার্ন সিনটেক্সের ব্যালান্স শিটকে উচ্চ খরচের দেশীয় ঋণ থেকে মুক্ত করবে।

সূচকআগেপরে
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১০৭ টন৪০৭ টন
আনুমানিক নতুন কর্মসংস্থান-~১০০টি পদ
বার্ষিক জ্বালানি সাশ্রয়-~৪,৮৪০ মেগাওয়াট ঘণ্টা
বার্ষিক কার্বন ডাই অক্সাইড হ্রাস-~২,২২২ টন

২০২৩ সালের বিনিয়োগের দ্বিতীয় অধ্যায়

মিরসরাইয়ে মডার্ন সিনটেক্স নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান নয়। মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে আগের প্রতিবেদন ঘেঁটে বিডি ফাইন্যান্সিয়াল রিভিউ দেখেছে, কোম্পানিটি মূলত সেখানে ১,৫৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল পলিয়েস্টার সুতা, স্টেপল ফাইবার আর পিইটি চিপ উৎপাদনের জন্য, এমন একটা অঞ্চলে নিজেকে প্রথম দিকের প্রধান বিনিয়োগকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে যাকে কর্তৃপক্ষ পুরো সাইট নির্মাণ শেষ হলে ২৫ বিলিয়ন ডলারের উৎপাদন ও রপ্তানি আর ১৪ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা দিয়ে প্রচার করেছে। সেই প্রাথমিক বিনিয়োগে প্রায় ১,২০০ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছিল, যা এই সম্প্রসারণে প্রত্যাশিত নতুন ১০০ পদের তুলনায় অনেক বেশি, যা মনে করিয়ে দেয় এডিবি অর্থায়িত এই ধাপটি আসলে একটা নতুন স্টার্টআপ বিনিয়োগ নয় বরং ইতিমধ্যে যথেষ্ট বড় একটা কার্যক্রমের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রকল্প। এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগর নামে পরিচিত এই অঞ্চল বিনিয়োগকারীদের জন্য তিন বছরের আয়কর মওকুফ, ইউটিলিটির ওপর ভ্যাট অব্যাহতি, শুল্কমুক্ত আমদানি আর নিরবচ্ছিন্ন মুনাফা প্রত্যাবাসনের মতো প্রণোদনা দিয়েছে, এই শর্তগুলোই মডার্ন সিনটেক্স আর মারিকো বাংলাদেশের হেয়ার অয়েল কারখানা, সামুদা কনস্ট্রাকশনের পাইল উৎপাদন কারখানাসহ কিছু অন্যান্য উৎপাদনকারীকে পুরো সাইট প্রস্তুত হওয়ার আগেই সেখানে পুঁজি বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে সাহায্য করেছে।

এখন কেন ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ গুরুত্বপূর্ণ

পলিয়েস্টার চিপ এমন একটা সরবরাহ চেইনের শুরুর দিকে থাকে যা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের বেশিরভাগ পোশাক রপ্তানিতে ব্যবহৃত সিনথেটিক কাপড় তৈরি করে, আর প্রতিযোগিতামূলক মানে দেশে উৎপাদিত প্রতি টন মানেই একটা টন যা আমদানি করে দুর্লভ বৈদেশিক মুদ্রায় দাম মেটাতে হয় না। এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাং ঠিক এই ভাষাতেই এই অর্থায়নকে তুলে ধরেছেন, তিনি বলেছেন এই চুক্তি "এমএসএলকে দক্ষ দেশীয় উৎপাদন সম্প্রসারণে সহায়তা করে, ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ গভীর করে, সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করে।" এই ভাষাটা এই সপ্তাহেই বিডি ফাইন্যান্সিয়াল রিভিউর একটা প্রতিবেদনে তুলে ধরা উদ্বেগের প্রতিধ্বনি করে, যেখানে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে কারখানা মালিকদের সতর্ক করেছেন যে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা কৌশলগতভাবে তাদের সোর্সিং বাংলাদেশে কেন্দ্রীভূত না রেখে আরও বেশি দেশের মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছে। যে বস্ত্র খাত আমদানি করা পলিয়েস্টার চিপের ওপর নির্ভর না করে নিজের প্রিমিয়াম কাঁচামালের বেশি অংশ দেশেই সরবরাহ করতে পারে, তার কাছে ক্রেতাদের কাছে এই যুক্তি তুলে ধরার সুযোগ বেশি থাকে যে বাংলাদেশের সরবরাহ চেইন যথেষ্ট মজবুত, তাদের ওপর বাজি ধরে চলা যায়।

দক্ষতা আর সনদায়নের দিকটা

শুধু কাঁচা উৎপাদন ক্ষমতার বাইরেও, এই সম্প্রসারণ ব্যাপকভাবে দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর নির্ভর করছে, যা দেখায় শিল্প প্রকল্পের উন্নয়ন অর্থায়ন এখন কীভাবে ক্রমেই পরিবেশগত শর্তের সঙ্গে জড়িয়ে আসছে। পুরনো যন্ত্রপাতিতে একই সম্প্রসারিত ক্ষমতা চালানোর তুলনায় আধুনিকীকৃত এই স্থাপনা বছরে আনুমানিক ৪,৮৪০ মেগাওয়াট ঘণ্টা জ্বালানি সাশ্রয় করবে বলে আশা করা হচ্ছে আর বছরে প্রায় ২,২২২ টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন কমাবে, আর মডার্ন সিনটেক্স তাদের ভবন আর কারখানা কার্যক্রমের জন্য লিড প্ল্যাটিনাম সনদ পাওয়ার চেষ্টা করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের দেওয়া সর্বোচ্চ স্তরের সনদ। এডিবির মতো একটা ঋণদাতার জন্য, যাচাইযোগ্য জ্বালানি আর নির্গমন সুবিধা বহন করা অর্থায়ন অভ্যন্তরীণভাবে যৌক্তিক করা সহজ হয় আর বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংকগুলো তাদের ঋণদান মানদণ্ডে ক্রমেই যে জলবায়ু প্রতিশ্রুতি যুক্ত করছে তার বিপরীতে প্রতিবেদন দেওয়াও সহজ হয়, যা ব্যাখ্যা করে কেন একটা সরল সক্ষমতা সম্প্রসারণকে এত জোর দিয়ে এর পরিবেশগত যোগ্যতার সঙ্গে গঠন আর প্রচার করা হয়েছে।

সম্প্রসারণ এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে কী দেখতে হবে

এই বিনিয়োগের আসল পরীক্ষা আরও কিছুদিন দৃশ্যমান হবে না, এটা নির্ভর করছে সম্প্রসারিত ৪০৭ টন দৈনিক ক্ষমতা চালু হওয়ার পর বাংলাদেশি বস্ত্র প্রস্তুতকারকরা সত্যিই তাদের উঁচুমানের পলিয়েস্টার চিপ ক্রয়ের একটা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আমদানিকারকদের কাছ থেকে সরিয়ে মডার্ন সিনটেক্সের দিকে নিয়ে আসেন কিনা, আর এডিবি যে অন্তর্ভুক্তিমূলক নিয়োগ পদ্ধতির কথা বলছে তার মাধ্যমে প্রায় ১০০টি নতুন পদ সত্যিই তৈরি হয় কিনা তার ওপর। মিরসরাইয়ের বৃহত্তর গল্পও এখনও লেখা হচ্ছে, অঞ্চলের পরিকল্পিত শিল্প ইউনিটের মাত্র হাতেগোনা কয়েকটা এখন বাণিজ্যিকভাবে চালু আছে, বাকি অনেক বেশি সংখ্যক এখনও নির্মাণাধীন, তাই মডার্ন সিনটেক্স সফলভাবে সম্প্রসারিত হতে পারে কিনা, নাকি সংগ্রাম করে, তার অভিজ্ঞতাই সম্ভবত নির্ধারণ করবে বাকি সাইটে অন্য সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীরা কত দ্রুত পুঁজি বিনিয়োগ করতে রাজি হবে।

এডিবির বাংলাদেশ পোর্টফোলিওতে এটা কোথায় বসে

বাংলাদেশের বস্ত্র আর পোশাক ভ্যালু চেইনে অর্থায়ন করা এডিবির জন্য এটাই প্রথম নয়, আর শুধু ট্রেড ক্রেডিট বাড়ানোর বদলে দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা শক্তিশালী করে এমন প্রকল্পে ব্যাংকটির দীর্ঘদিনের আগ্রহ আছে। এডিবির মতো উন্নয়ন ঋণদাতারা ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ প্রকল্পকে বিশেষভাবে পছন্দ করে কারণ এগুলো এমন একটা কাঠামোগত দুর্বলতা মোকাবিলা করে যা শুধু ট্রেড ফাইন্যান্সিং দিয়ে সারানো যায় না, যে পোশাক শিল্পকে নিজের কাঁচামালের একটা বড় অংশ আমদানি করতে হয় তা রপ্তানি আদেশের বহি কতটা সুস্থ দেখায় তা নির্বিশেষে মুদ্রার ওঠানামা আর সরবরাহ বিঘ্নের ঝুঁকিতে থেকে যায়। বাংলাদেশের প্রায় চল্লিশ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি শিল্পের তুলনায় ৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি সামান্যই, তবে এটা একটা একক কোম্পানির প্রায় চারগুণ সক্ষমতা সম্প্রসারণ নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন করার সামর্থ্যের ওপর একটা বেশ বড় বাজি, আর সেই বাস্তবায়নের ঝুঁকি নিয়ে এডিবির যথাযথ পরিশ্রম, হেডলাইন সংখ্যার চেয়ে বেশি, আসলে বাজারের বোঝা উচিত যে এটা সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের বস্ত্র খাতের চেয়ে নির্দিষ্টভাবে মডার্ন সিনটেক্সের প্রতি ব্যাংকটির আস্থার ভোট।

মন্তব্য

    এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে সাইন ইন করুন

এরপর পড়ুন

২৬ মাস বোর্ডশূন্য থাকার পর বিএসইসি পুনর্গঠন করল ১,৭০০ কোটি টাকার বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিল

বাংলাদেশের ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড টানা ২৬ মাস কোনো পরিচালনা বোর্ড ছাড়াই চলেছে, শেষ পর্যন্ত এই সপ্তাহে নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সাত সদস্যের একটা অন্তর্বর্তী প্যানেল গঠন করেছে। প্রায় ১,৭০০ কোটি টাকার এই তহবিল, যা অদাবিকৃত লভ্যাংশ আর শেয়ারের সমন্বয়ে গড়া, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার জন্য তৈরি, কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের এর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একটা আইনি বিরোধ ২০২৪ সাল থেকে পুরো কাঠামোটাকেই স্থবির করে রেখেছিল। বিএসইসি এখন চায় এই প্রশ্নের চিরস্থায়ী সমাধানের জন্য একটা পূর্ণাঙ্গ আইন, যার খসড়া শিগগিরই সংসদে যাওয়ার কথা।

অনিয়মের পর নগদ লভ্যাংশের নিয়মে কড়াকড়ি আনল বিএসইসি, স্বতন্ত্র পরিচালক পুনর্নিয়োগে দিল স্বস্তি

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত কোম্পানি এখন থেকে নগদ লভ্যাংশের প্রস্তাব এজিএমে তুলতে পারবে না যতক্ষণ না পুরো টাকা একটা আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা থেকে সনদায়িত হয়। সাম্প্রতিক অনিয়মের পরই এই সিদ্ধান্ত এসেছে, সঙ্গে আছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি। একই সভায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা স্বতন্ত্র পরিচালক পুনর্নিয়োগের প্রক্রিয়া সহজ করেছে, প্রতিবার নতুন পর্যালোচনার বদলে শুধু একটা ক্লিন ক্রেডিট রিপোর্টই এখন যথেষ্ট।

২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে ২৮ শতাংশ, সবচেয়ে বড় ধাক্কা ইকুইটিতে

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আগের বছরের তুলনায় ২৮ শতাংশ কম অর্থ বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন। নতুন বিনিয়োগকারীর আস্থার সবচেয়ে স্পষ্ট সূচক নিট ইকুইটি মূলধন প্রবাহ কমেছে ৫৫ শতাংশ, নেমে এসেছে মাত্র ১৫৫ মিলিয়ন ডলারে। অর্থনীতিবিদরা এই পতনের পেছনে জ্বালানি সংকট, বাণিজ্য বিঘ্ন এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপকেই মূল কারণ বলছেন।