ব্যাংক কার্ড নেটওয়ার্ক বিকল হওয়াকে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছিল কাকতাল, আসলে ছিল ভেন্ডরদের লড়াই
অক্টোবরের ৪ তারিখে বাংলাদেশের প্রায় ৩০টি ব্যাংকে কার্ড ও এটিএম সেবা বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথমে বলেছিল, এটা কয়েকটি ব্যাংকের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কাজ একসাথে পড়ে যাওয়ার কাকতালীয় ঘটনা। তিন দিন পর জানা গেল আসল ঘটনা, কিউ ক্যাশ নেটওয়ার্ক চালানো স্থানীয় পেমেন্ট প্রসেসর অভিযোগ করেছে তাদের বিদায়ী রুশ প্রযুক্তি সহযোগী প্রতিষ্ঠান একটি ক্ষতিকর স্ক্রিপ্ট বসিয়ে দিয়েছিল, যা বারবার সার্ভার বিকল করে দিচ্ছিল, একটি ব্যয়বহুল প্ল্যাটফর্ম স্থানান্তর নিয়ে বিরোধের জেরে। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন ওই প্রসেসরকে তলব করেছে এবং সদস্য ব্যাংকগুলোকে শোকজ নোটিশ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে, তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে কেন জনগণকে প্রথমে একটি ভিন্ন গল্প বলা হয়েছিল।
এক সপ্তাহ কার্ড ছাড়া
অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহটা বাংলাদেশের প্রায় ৩০টি ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য ছিল চরম বিরক্তির একটা সময়। এটিএম কার্ড নিচ্ছিল না, দোকানের পিওএস মেশিন বন্ধ পড়ে ছিল, ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিন টাকা দিচ্ছিল না, আর কিউ ক্যাশ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কিউআর পেমেন্ট বা অনলাইন ট্রান্সফার কোনোটাই হচ্ছিল না। গোলমাল শুরু হয় রোববার, ৪ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে, আর কিছু ব্যাংকের ক্ষেত্রে এটা প্রায় এক সপ্তাহ গড়িয়ে যায়, কিউ ক্যাশ সেবা পুরোপুরি চালু হওয়ার কথা নিশ্চিত হয় মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর রাতের দিকে। গ্রাহকরা বলছেন, জরুরি চিকিৎসার টাকা দিতে পারেননি, দরকারি সময়ে টাকা তুলতে পারেননি, দোকানে গিয়ে কিনতে পারেননি, আর এসবের আগে তাদের ঠিকমতো কোনো আগাম সতর্কতা দেওয়া হয়নি।
এই বিভ্রাটের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে ব্যাংক এশিয়া, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, শিমান্ত ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক এবং উত্তরা ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানের নাম। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের মাধ্যমে সরাসরি হওয়া লেনদেন এবং বিকাশের মতো মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠানগুলো এই সমস্যার বাইরে ছিল, আর বিএসিপিএস, বেফটন এবং আরটিজিএসের মতো মূল সেটেলমেন্ট সিস্টেমগুলো পুরো সময় স্বাভাবিকভাবে চলেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম ব্যাখ্যা
ঘটনাটা প্রথম যখন খবরে আসে, তখন কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যাটা ছিল একদমই সাদামাটা, মোটামুটি শান্ত শোনানো একটা কথা। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেছিলেন, একসঙ্গে এতগুলো ব্যাংকের সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়াটা নিতান্তই একটা কাকতাল, কারণ আলাদা আলাদা ব্যাংক নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমতি নিয়ে একই সময়ে তাদের বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণের কাজ ফেলেছিল। সহকারী মুখপাত্র সাইদা খানমের সই করা এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছিল, কিউ ক্যাশ সুইচ চালানো প্রতিষ্ঠান ইনফরমেশন টেকনোলজি কনসালটেন্টস পিএলসি জরুরি প্রযুক্তিগত আপগ্রেড ও সিস্টেম মাইগ্রেশনের কাজ করছে, এবং এটা একটা নিয়মিত, পুরো নেটওয়ার্কজুড়ে চলা রক্ষণাবেক্ষণের কাজ মাত্র। গ্রাহকদের বলা হয়েছিল তারা যেন তাদের ব্যাংকের এসএমএস, অ্যাপ বা শাখার নোটিশে চোখ রাখেন, জরুরি পেমেন্টের জন্য অন্য অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করেন, আর নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকার সময় প্রতারণার ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক থাকেন।
এই ব্যাখ্যা টিকেছিল মোটামুটি দুই দিন। তাতে গ্রাহকদের মনও ঠান্ডা হয়নি খুব একটা, কারণ তাদের অভিযোগ ছিল, রক্ষণাবেক্ষণের একটা কাজ যে প্রায় এক সপ্তাহের জন্য কার্ড সেবা বন্ধ করে দিতে পারে, এমন কোনো স্পষ্ট আগাম খবর তারা পাননি। কিছু ব্যাংক বলেছে, তারা এসএমএস, সোশ্যাল মিডিয়া আর ওয়েবসাইটে নোটিশ দিয়েছিল, কিন্তু গ্রাহকরা বলছেন এটা এত বড় ও এত দিন ধরে চলা একটা বিভ্রাটের জন্য যথেষ্ট স্পষ্ট সতর্কবার্তা ছিল না।
আসল ঘটনা সামনে আসে
৭ অক্টোবর সামনে আসে একেবারে অন্য রকম একটা বর্ণনা। আইটি কনসালটেন্টস পিএলসি, সংক্ষেপে আইটিসিএল, জানায় এই বিভ্রাটের সঙ্গে আগে থেকে ঠিক করে রাখা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কোনো সম্পর্কই নেই। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, আসল কারণ হলো কমপাস প্লাসের সঙ্গে একটা তীক্ত বিরোধ, রাশিয়ান এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যারই এতদিন কিউ ক্যাশ সুইচের মূল ভিত্তি ছিল, যাদের বাংলাদেশ ব্যাংক আগে নেটওয়ার্কের ই-কমার্স পেমেন্ট সক্ষমতা আধুনিকায়নের কাজে যুক্ত করেছিল। আইটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কাজী সাইফুদ্দিন মুনীর বলেন, প্রতিষ্ঠান আগস্টেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমপাস প্লাসের প্ল্যাটফর্ম থেকে ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে সরে গিয়ে ব্রাসেলসভিত্তিক ওপেনওয়ের তৈরি ওয়ে৪ নামের একটা এন্টারপ্রাইজ পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে যাবে। আইটিসিএলের দাবি, কমপাস প্লাস এই সিদ্ধান্তটা সহজভাবে নেয়নি। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা টেকনিক্যাল সাপোর্ট তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে, দেড় মিলিয়ন ডলার মাইগ্রেশন ফি দাবি করেছে, আর হস্তান্তরে সহায়তা করার আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্যারান্টিসহ অগ্রিম পেমেন্ট চেয়েছে।
আইটিসিএলের দাবি, এই বিরোধ গড়িয়ে যায় নাশকতার দিকে। তাদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি যখন ঠিক করা মাইগ্রেশনের পথে এগিয়ে যায়, তখন কমপাস প্লাস আইটিসিএলের সার্ভারে একটা ক্ষতিকর স্ক্রিপ্ট বসিয়ে দেয়, যা প্রতি আট ঘণ্টায় সার্ভার রিস্টার্ট করতে বাধ্য করে, প্রতিবার রাউটিং টেবিল মুছে দেয় আর পুরো নেটওয়ার্কের ডেটা প্রসেসিং থামিয়ে দেয়। এটা একটা গুরুতর কিন্তু এখনো একতরফা অভিযোগ। এই ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন করা কোনো সংবাদমাধ্যমই কমপাস প্লাসের নিজের বক্তব্য প্রকাশ করেনি, আর বাংলাদেশ ব্যাংক নিজেও আইটিসিএলের এই বর্ণনাকে পুরোপুরি সমর্থন করে কথা বলেনি। তাই এই নাশকতার অভিযোগটাকে আপাতত আইটিসিএলের নিজের বক্তব্য হিসেবেই দেখা উচিত, প্রতিষ্ঠিত সত্য নয়। যা নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই তা হলো, বারবার সার্ভার রিস্টার্ট হওয়ার পেছনে যা কারণই থাকুক, গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা একই রকম ছিল, অনেক ব্যাংকের কার্ড আর এটিএম সেবা বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়া, কয়েক দিন ধরে।
ভেন্ডরদের এই বিরোধ সামনে আসার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের ভাষাও বদলে যায়। মুনীর বলেন, সমস্যা চিহ্নিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা বিকাশসহ তাদের সব পার্টনার ব্যাংককে জানিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার আইটিসিএলের ব্যবস্থাপনাকে তলব করে এবং নেটওয়ার্ক সুইচিংসহ সব কার্ড সম্পর্কিত সেবা যত দ্রুত সম্ভব চালু করার নির্দেশ দেয়। আরিফ হোসেন খান, যিনি আগে এটাকে কাকতাল বলেছিলেন, পরিপূর্ণ ঘটনা সামনে আসার পর অনেক কড়া সুরে বলেন, মূল সমস্যাটা প্রযুক্তিগত হলেও সেটা দ্রুত সামাল দিতে না পারার কারণে কার্ডধারীদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা অসন্তুষ্ট ছিলেন এই কারণে যে আইটিসিএল আগাম কোনো নোটিশ না দিয়েই সিস্টেম বন্ধ করে দিয়েছিল, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব নিয়মের বিরুদ্ধে, যেখানে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণের আগে জনসাধারণকে আগাম জানানোর কথা বলা আছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, সেবা আকস্মিকভাবে বন্ধ করে দেওয়ার কারণে সদস্য ব্যাংকগুলোকে শোকজ নোটিশ পাঠানো হবে।
যে বিরোধের এখনো কোনো পরিষ্কার সমাপ্তি নেই
মাইগ্রেশনের সময়টাই এখানে একটা বড় ঘোঁচ। আইটিসিএলের কমপাস প্লাস থেকে সরে যাওয়ার কাজটা অক্টোবরের শেষ নাগাদ শেষ হওয়ার কথা ছিল, যা সেবা আসলে বন্ধ হয়ে যাওয়া সপ্তাহটার চেয়ে অনেক পরে। এতে প্রশ্ন ওঠে, জনসাধারণের ভোগা এই বিভ্রাট কি পেছনে চলতে থাকা একটা বিরোধের অনিচ্ছাকৃত অকাল পরিণতি, নাকি এক পক্ষের অন্য পক্ষকে চাপ দেওয়ার একটা পরিকল্পিত কৌশলের কাছাকাছি কিছু। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্টের অবকাঠামো যে কোনো হিসাবেই গত কয়েক মাস খুব একটা ভালো সময় পার করেনি, এই একই কিউ ক্যাশ অবকাঠামোকে আগেও একসঙ্গে অনেক জায়গায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী করা হয়েছিল, এমনকি কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখন ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার বাড়াতে বিনা খরচে তাৎক্ষণিক বাংলা কিউআর পেমেন্টের মতো উদ্যোগে জোর দিচ্ছে। লাখো কার্ডধারীর দৈনন্দিন আর্থিক জীবনকে ধারণ করা অবকাঠামোতে এই রকম একটা বিরোধ মনে করিয়ে দেয়, প্রযুক্তিগত সম্পর্ক যখন শত্রুতার দিকে মোড় নেয়, তখন পেমেন্ট অবকাঠামো আধুনিকায়নের কাজটাও বাস্তব অপারেশনাল ঝুঁকি নিয়ে আসে।
আপাতত বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে কিউ ক্যাশ সেবা আবার চালু হয়ে গেছে, যদিও ব্যাংকগুলোর নিজের মতো করে ঠিক করা আলাদা রক্ষণাবেক্ষণের কাজ এই ভেন্ডর বিরোধের সঙ্গে কতটা মিলেমিশে ছিল, তার পুরো ছবি এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। যা স্পষ্ট, তা হলো গ্রাহকদের প্রথমে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছিল, নিয়মিত আপগ্রেডের একটা পরিষ্কার কাকতাল, সেটা পুরো গল্প ছিল না, আর নিয়ন্ত্রক সংস্থা নিজেও মনে হচ্ছে প্রথমবার জনসাধারণের সামনে কথা বলার সময় অসম্পূর্ণ তথ্য নিয়েই কথা বলেছিল। শোকজ নোটিশগুলো শেষ পর্যন্ত কোনো জবাবদিহির দিকে যায় কিনা, হয় আইটিসিএলের সিস্টেম বন্ধ করার সিদ্ধান্তের জন্য, নয়তো গ্রাহকদের মতে যথেষ্ট আগাম সতর্কতা না দেওয়া ব্যাংকগুলোর জন্য, সেটাই হবে পরের দেখার বিষয়, এমন একটা বিরোধ থেকে যা কিছুদিনের জন্য দেশের কার্ড পেমেন্টের একটা বড় অংশকে অফলাইন করে দিয়েছিল।
তথ্যসূত্র
এরপর পড়ুন
বিদেশি ব্যাংকের মুনাফা প্রথমার্ধে ৩৮ শতাংশ কমল, ট্রেজারি বাজিতে এগিয়ে দেশি ব্যাংক
বাংলাদেশে কার্যরত নয়টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকের সম্মিলিত নিট মুনাফা ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ৩৮ শতাংশ কমে হয়েছে ২,৩২১ কোটি টাকা, দুর্বল বাণিজ্য অর্থায়ন ও জ্বালানি সংকটের কারণে। একই সময়ে, অনেক তালিকাভুক্ত দেশি ব্যাংক ভালো মুনাফা বৃদ্ধি দেখিয়েছে, যার প্রায় পুরোটাই এসেছে সরকারি সিকিউরিটিজের বিনিয়োগ আয় থেকে, নতুন ঋণ বিতরণ থেকে নয়। বিদেশি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার খাতের গড়ের চেয়ে এখনও অনেক কম এবং তাদের মূলধন মজুদ অনেক বেশি শক্তিশালী।
উত্তোলনের চাপে ন্যাশনাল ব্যাংককে ৭,০০০ কোটি টাকা ধার দিল সোনালী ব্যাংক, পরীক্ষার মুখে বাংলাদেশের বেলআউট পরিকল্পনা
রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংককে ৭,০০০ কোটি টাকা ধার দিয়েছে, যার পুরোটার গ্যারান্টি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, তিন দিনে প্রায় ৭,৫০০টি উত্তোলনের আবেদন আসার পর। এই ঋণ ন্যাশনাল ব্যাংককে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে পুরো উত্তোলন সুবিধা ফিরিয়ে আনার সময়সীমা পূরণে সহায়তা করার জন্য। ব্যাংকটি এখনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণী, যা সিকদার পরিবারের আমলে শুরু হওয়া সমস্যার গভীরতার কথা মনে করিয়ে দেয়।
ব্র্যাক ব্যাংকের সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডারকে তিনগুণ বোর্ড আসন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্র্যাক ব্যাংকের জন্য একটি বোর্ড নিয়ম শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যার ফলে ব্যাংকটির সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডার এখন একজনের পরিবর্তে তিনজন পর্যন্ত প্রতিনিধি পরিচালক নিয়োগ দিতে পারবে। ১২ অক্টোবরের এই সার্কুলারে উপকৃত হচ্ছে ব্র্যাক, যার হাতে একজন কর্মকর্তার তথ্যানুযায়ী ব্যাংকটির ৪৬ শতাংশ শেয়ার আছে। এই বছরের মধ্যে এটি দ্বিতীয় এমন নির্দিষ্ট ব্যাংকের জন্য দেওয়া ছাড়, এর আগে মার্চে ট্রাস্ট ব্যাংককেও একই ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছিল।