কর ও এনবিআর

৫ শতাংশ আগাম রিটার্ন ছাড় পেতে হাতে আছে মাত্র ২৬ দিন, করদাতাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে এনবিআর

৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যেসব ব্যক্তি করদাতা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দেবেন, তারা নিট করদায়ের ওপর ৫ শতাংশ ছাড় পাবেন, যার সর্বোচ্চ পরিমাণ ২৫,০০০ টাকা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০২৬-২৭ কর বছরের জন্য অনলাইনে রিটার্ন জমার সুযোগ জুলাই মাসে চালু করেছিল, আর সেই সুযোগ শেষ হচ্ছে চার সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে। এই সময় পার হয়ে গেলে ছাড় আর মিলবে না, তবে ডিসেম্বরের আগ পর্যন্ত জরিমানাও গুনতে হবে না।

এই নিবন্ধে এখনো কোনো লেখা যোগ করা হয়নি।

মন্তব্য

    এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে সাইন ইন করুন

এরপর পড়ুন

ত্রৈমাসিক ভ্যাট পদ্ধতিতে ঘাটতি ১৭,৬৬৩ কোটি টাকা, মাসিক পদ্ধতিতে ফেরার কথা ভাবছে এনবিআর

মাত্র কয়েক মাস আগে ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে প্রতি মাসের বদলে তিন মাস পরপর ভ্যাট রিটার্ন ও পরিশোধের সুযোগ দিয়েছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এখন সেই সিদ্ধান্তই আবার পাল্টানোর কথা ভাবছে সংস্থাটি। জুলাই ও আগস্টে ভ্যাট আদায় আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২২ শতাংশ কমে গেছে, ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৭,৬৬৩ কোটি টাকায়, যা কর্মকর্তা আর আট লাখেরও বেশি ভ্যাট নিবন্ধিত ব্যবসায়ীদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

এনবিআরকে এখন নতুন বেতনস্কেলও যোগাতে হবে , অথচ রাজস্ব আদায় বাড়ছে না, কমছে

কয়েক দিন আগেই bdfinancialreview.com জানিয়েছিল, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এনবিআরের ঘাটতি প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকা এবং সামনের বছরের জন্য তাদের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রার কথা। এবার নতুন জটিলতা সামনে এসেছে , সরকার প্রায় ২৪ লাখ কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য বার্ষিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার নতুন বেতনস্কেলের অর্থও এনবিআরকে জোগাড় করতে বলা হচ্ছে। সমস্যা হলো, জুলাই ও আগস্ট দুই মাসেই ভ্যাট আদায় আগের বছরের তুলনায় কমেছে, ফলে ৪৬ শতাংশ বেশি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

এনবিআরের ৮৮ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি আর সামনের বছরের সাহসী ৬.০৪ লাখ কোটি টাকার লক্ষ্য

১২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তাদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকা পিছিয়ে আছে, আর সংস্থাটির সাবেক চেয়ারম্যানকে সবেমাত্র ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পাঠানো হয়েছে। এদিকে এনবিআর এই বছর ২০ শতাংশ বেশি লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করছে। করদাতাদের জন্য এই সংখ্যাগুলোর মানে কী, আর কেন এই ফারাক ক্রমাগত বাড়ছে, তা জেনে নিন।