রেমিট্যান্স

ডলার শক্তিশালী হওয়ার মধ্যেও এ অর্থবছরে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭ শতাংশ, রিজার্ভ দিচ্ছে সুরক্ষা

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬5 মিনিটের পড়া
ডলার শক্তিশালী হওয়ার মধ্যেও এ অর্থবছরে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭ শতাংশ, রিজার্ভ দিচ্ছে সুরক্ষা

চলতি অর্থবছরের প্রথম আড়াই মাসে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৭২৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার, গত বছরের তুলনায় ১৬.৯ শতাংশ বেশি, সেপ্টেম্বরও একই গতিতে এগোচ্ছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে রেমিট্যান্স বাড়লেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সামান্য কমেছে, তবে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ এখনো প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় ঢেকে রাখতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের তিন বছরের মধ্যে প্রথম সুদহার বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় বাড়ছে, ঠিক এই সময়েই স্থিতিশীল ডলার প্রবাহ একটা সুরক্ষা দিচ্ছে। এটা ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের প্রথম সার্বভৌম বন্ড বিক্রির পরিকল্পনাকেও শক্তিশালী করছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম আড়াই মাসে, ১ জুলাই থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৭২৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার, গত বছরের একই সময়ের ৬২০ কোটি ৬০ লাখ ডলারের তুলনায় ১৬.৯ শতাংশ বেশি। শুধু সেপ্টেম্বর মাসের হিসাব ধরলেও একই ধারা দেখা যাচ্ছে, পিছিয়ে নেই বরং তাল মিলিয়ে চলছে, মাসের প্রথম তেরো দিনেই প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৪২ কোটি ৭০ লাখ ডলার, গত বছরের একই তেরো দিনের ১৩০ কোটি ৬০ লাখ ডলারের তুলনায় ৯.৩ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে শুধু ১৩ সেপ্টেম্বর একদিনেই এসেছে ১৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার, বোঝাই যাচ্ছে একটা সাধারণ কার্যদিবসেই এখন কতটা টাকা আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেল দিয়ে দেশে ঢুকছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে এই টানা বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ আনুষ্ঠানিক রেমিট্যান্স চ্যানেলের ধারাবাহিক উন্নতি, ধীরে ধীরে বেশি সংখ্যক প্রবাসী কর্মী ব্যাংক ট্রান্সফার আর লাইসেন্সপ্রাপ্ত মোবাইল সেবার দিকে ঝুঁকছেন, আর হুন্ডির মতো অনানুষ্ঠানিক পথ ছাড়ছেন যেখানে একটা কাটতি থেকে যায় আর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে কোনো হিসাবই থাকে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজে বলছে এই প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থান শক্তিশালী করবে আর বাহ্যিক খাতের স্থিতিশীলতায় সহায়ক হবে, শুনতে বেশ কেতাবি লাগলেও এই মাসে ডলারের বাজারে যা যা ঘটছে তার সাথে মিলিয়ে দেখলে কথাটার গুরুত্ব বোঝা যায়।

রিজার্ভের ছবিটা সরলরৈখিক নয়

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী ১ সেপ্টেম্বর মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৭৪ কোটি ১০ লাখ ডলার, আইএমএফের কড়া বিপিএম৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে যা দাঁড়ায় ৩২৫ কোটি ডলারে, এই পদ্ধতিতে এমন সব প্রতিশ্রুতি আর তহবিল বাদ দেওয়া হয় যেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহারযোগ্য নয়। ৭ সেপ্টেম্বর নাগাদ মোট রিজার্ভ কিছুটা কমে দাঁড়ায় ৩৬৩ কোটি ৮০ লাখ ডলারে, বিপিএম৬ হিসাবে ৩১৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার, মানে মাসের প্রথম সপ্তাহেই মোট রিজার্ভ কমেছে এক বিলিয়ন ডলারের একটু বেশি, অথচ একই সময়ে রেমিট্যান্স বাড়তেই থাকল। এটা আসলে পরস্পরবিরোধী কিছু না। রিজার্ভ চলে নিট হিসাবে, রেমিট্যান্স আর রপ্তানি থেকে যা আসে তার পাশাপাশি ঋণ পরিশোধ, আমদানি বিল মেটানো, আর মুদ্রাবাজারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপও এর মধ্যে ঢুকে যায়, তাই একটা মাসে প্রবাহ ভালো থাকলেও অন্যদিকে খরচ বেশি হলে রিজার্ভ কিছুটা কমতেই পারে।

রিজার্ভের সংখ্যাটা যেভাবেই দেখা হোক না কেন, নিয়ন্ত্রকদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ডটা তাতে ঠিকই পার হয়ে যাচ্ছে। বিপিএম৬ হিসাবে ৩১৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার দিয়ে বাংলাদেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ৪.৮ মাসের আমদানি ব্যয় ঢেকে রাখতে পারে, যা আইএমএফের নির্ধারিত ন্যূনতম তিন মাসের নিরাপত্তা সীমার চেয়ে বেশ ভালো অবস্থানে। কর্মকর্তারা এই অবস্থাকে বলছেন দেশের বাহ্যিক অর্থব্যবস্থার সতর্ক স্থিতিশীলতা, একটা বাক্য যা অগ্রগতি স্বীকার করে নেয় কিন্তু চাপ পুরোপুরি কেটে গেছে এমন ভান করে না, বিশেষ করে সরকার নিজেই ২০২৭ অর্থবছর শেষে ৫১ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভের লক্ষ্য বেঁধে রেখেছে, যে মাত্রায় পৌঁছাতে হলে শুধু রেমিট্যান্সের ওপর ভরসা করলে চলবে না, আরও অনেক বেশি টেকসই প্রবাহ দরকার হবে।

সূচকএ বছরগত বছরপরিবর্তন
রেমিট্যান্স, ১ জুলাই থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর (২০২৭ বনাম ২০২৬ অর্থবছর)৭২৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার৬২০ কোটি ৬০ লাখ ডলার+১৬.৯%
রেমিট্যান্স, ১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর১৪২ কোটি ৭০ লাখ ডলার১৩০ কোটি ৬০ লাখ ডলার+৯.৩%
একদিনের প্রবাহ, ১৩ সেপ্টেম্বর১৯ কোটি ৩০ লাখ ডলারপ্রকাশিত হয়নিপ্রযোজ্য নয়
মোট রিজার্ভ, ১ বনাম ৭ সেপ্টেম্বর৩৬৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার (৭ সেপ্টেম্বর)৩৭৪ কোটি ১০ লাখ ডলার (১ সেপ্টেম্বর)এক সপ্তাহে -১.০৩ বিলিয়ন

আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের দিকে ঝোঁকার পেছনে যা আছে

আনুষ্ঠানিক আর অনানুষ্ঠানিক রেমিট্যান্স চ্যানেলের এই পার্থক্যটা শুনতে যতটা সাধারণ মনে হয় তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বছরের পর বছর ধরে প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের পাঠানো টাকার একটা বড় অংশ চলে যেত হুন্ডি অপারেটরদের মাধ্যমে, এমন অনানুষ্ঠানিক নেটওয়ার্ক যারা সামান্য ভালো বিনিময় হার বা দ্রুত ডেলিভারির বিনিময়ে পুরোপুরি ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে কাজ করে, আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা, দেশের সরকারি রিজার্ভের হিসাবের বাইরেও থেকে যায়। হুন্ডির মাধ্যমে পাঠানো প্রতিটা ডলার যখন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত মোবাইল আর্থিক সেবার দিকে সরে আসে, তখন সেটা এমন একটা ডলার হয়ে ওঠে যা বাংলাদেশ ব্যাংক আসলেই গণনা করতে, হাতে রাখতে, আর প্রয়োজনে মুদ্রা রক্ষায় ব্যবহার করতে পারে। এ বছর বাংলাদেশ ব্যাংক যে প্রবৃদ্ধির কথা জানাচ্ছে তার পেছনে সম্ভবত দুটো জিনিসের মিশ্রণ আছে, প্রবাসী শ্রমিকদের প্রকৃত আয় সত্যিই বেড়ে যাওয়া, আর আগে থেকে চলা রেমিট্যান্সের একটা অংশ ধীরে ধীরে এমন চ্যানেলে সরে আসা যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেখতে পায়, যদিও এখন পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্যে ১৬.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির কতটা কোন উৎস থেকে এসেছে তার বিস্তারিত ভাঙন দেওয়া নেই।

যেভাবেই হোক না কেন, নীতিনির্ধারকদের জন্য বাস্তব ফলাফলটা একই। আসা ডলারের একটা বড় আর বেশি দৃশ্যমান পুল কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দেশের প্রকৃত বাহ্যিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট আর নির্ভরযোগ্য একটা চিত্র দেয়, যা সরাসরি প্রভাব ফেলে মুদ্রাবাজারে কতটা আক্রমণাত্মকভাবে হস্তক্ষেপ করা উচিত বা ফেডের সুদহার বৃদ্ধির মতো ঘটনার চাপ টাকাকে হঠাৎ আর বিশৃঙ্খল দরপতন ছাড়াই কতটা সহ্য করতে দেওয়া যায়, এই সিদ্ধান্তগুলোতে।

এই সময়টা কেন সহায়ক

এই রেমিট্যান্স বৃদ্ধি বাংলাদেশের বাহ্যিক হিসাবের জন্য সত্যিকার অর্থেই একটা কাজের সময়ে এসেছে। বিডি ফাইন্যান্সিয়াল রিভিউ এই মাসের শুরুর দিকেই জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেড ১৬ সেপ্টেম্বর তিন বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো তার সুদহার বাড়িয়েছে, যে পদক্ষেপ সাধারণত বিশ্বব্যাপী ডলারকে শক্তিশালী করে, ফলে বাংলাদেশের আমদানি করা জ্বালানি, খাদ্য থেকে শুরু করে শিল্প যন্ত্রপাতি পর্যন্ত সবকিছুর স্থানীয় মুদ্রায় খরচ বাড়ে, সাথে বাড়ে দেশের ডলারনির্ভর ঋণের বোঝাও। সেই প্রতিবেদনেই বলা হয়েছিল রেমিট্যান্স প্রবাহ এই বড় চাপের মধ্যে অন্যতম উজ্জ্বল দিক, আর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত সংখ্যাগুলো সেই কথারই প্রতিফলন। প্রবাসী কর্মীদের কাছ থেকে ধারাবাহিক আর ক্রমবর্ধমান ডলারের সরবরাহ বাংলাদেশ ব্যাংককে মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা সামলানোর বাড়তি জায়গা দেয়, রিজার্ভ দ্রুত খরচ না করেই, ঠিক এই ধরনের বাফারের কথাই অর্থনীতিবিদরা বলছিলেন যখন তারা যুক্তি দিচ্ছিলেন অর্থনীতির বড় ঝুঁকি আসলে ফেডের সিদ্ধান্তে না, বরং জ্বালানি সংকট আর নিয়ন্ত্রক অনিশ্চয়তায়।

এই রেমিট্যান্স বৃদ্ধি বাংলাদেশের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সার্বভৌম বন্ড ছাড়ার পরিকল্পনার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৫০ কোটি থেকে ১০০ কোটি ডলার তোলার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। এই প্রথম বন্ডের দাম ঠিক করার সময় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা ঠিক এই ধরনের তথ্যের দিকেই তাকাবেন, প্রমাণ খুঁজবেন যে বাংলাদেশের ডলার প্রবাহ বৈচিত্র্যময় আর ক্রমবর্ধমান, কোনো একটামাত্র অস্থির উৎসের উপর নির্ভরশীল না, আর রিজার্ভও সপ্তাহে সপ্তাহে সামান্য ওঠানামা করলেও সেই সীমার অনেক উপরে আছে যা উদ্বেগের কারণ হতে পারত। এসবের কোনোটাই দেশের জ্বালানি সরবরাহ বা পুঁজিবাজারের গভীরতা নিয়ে গভীর কাঠামোগত প্রশ্নগুলোর সমাধান করে না, তবে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের হাতে যথেষ্ট ডলার আসছে কিনা এই সরু প্রশ্নের উত্তর সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধের রেমিট্যান্সের সংখ্যা স্পষ্টভাবেই হ্যাঁ বলছে।

মন্তব্য

    এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে সাইন ইন করুন

এরপর পড়ুন

১৩ দিনেই ১৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে নতুন একদিনের রেকর্ড

সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৩ দিনেই বাংলাদেশে এসেছে ১৪২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স, গত বছরের তুলনায় ৯.৩ শতাংশ বেশি, যার মধ্যে রয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বরের ১৯.৩ কোটি ডলারের নতুন একদিনের রেকর্ড। চলতি অর্থবছর ইতিমধ্যে গত বছরের চেয়ে ১৬.৯ শতাংশ এগিয়ে থাকার মধ্যেই যুক্তরাজ্য দ্রুত সৌদি আরবের কাছাকাছি চলে আসছে রেমিট্যান্সের উৎস হিসেবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই প্রবাহকে রিজার্ভ আর বিনিময় হারের জন্য স্বস্তি হিসেবে স্বাগত জানালেও সতর্ক করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বাড়লে উপসাগরীয় দেশ থেকে আসা বার্ষিক প্রায় ১০০০ কোটি ডলারের প্রবাহ ব্যাহত হতে পারে।

রেমিট্যান্সের উত্থানের আড়ালে, যুক্তরাজ্যের লাফ, যুক্তরাষ্ট্রের পতন আর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ঝুঁকি

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স রেকর্ড ৩৫.৫৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যুক্তরাজ্য থেকে আসা টাকা ৬০ শতাংশ বাড়লেও যুক্তরাষ্ট্রের করিডোর কমেছে প্রায় ৩৬ শতাংশ। সাম্প্রতিক মাসিক তথ্য বলছে জুলাই থেকে আগস্টের মধ্যে শীর্ষ দশ উৎস দেশের ছয়টি থেকেই রেমিট্যান্স কমেছে, প্রবৃদ্ধি ক্রমেই কেন্দ্রীভূত হচ্ছে যুক্তরাজ্য, ইতালি, মালয়েশিয়া আর সিঙ্গাপুরে। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন সতর্ক করছে, মধ্যপ্রাচ্যের বাড়তে থাকা সংঘাত সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আসা বছরে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের প্রবাহকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

সেপ্টেম্বরের প্রথম ছয় দিনেই রেকর্ড গতিতে এলো ৬৩৭ মিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয়

সেপ্টেম্বরের প্রথম ছয় কর্মদিবসে বাংলাদেশে প্রবাসী আয় এসেছে ৬৩৭ মিলিয়ন ডলার, গত বছরের একই সময়ের চেয়ে যা ২৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি, এর মধ্যে ৬ সেপ্টেম্বর একদিনেই এসেছে রেকর্ড ২০১ মিলিয়ন ডলার। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের এই সময়ে মোট প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৪৬২ বিলিয়ন ডলারে, বছরওয়ারি প্রবৃদ্ধি ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ। আমদানি খরচ বাড়তে থাকা এই সময়ে এই জোয়ার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধরে রাখতে আর টাকাকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করছে।