বাণিজ্য ও রপ্তানি

আগস্টে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১৩ শতাংশ, তবে ক্রেতারা নীরবে অর্ডার ছড়িয়ে দিচ্ছেন অন্য দেশে

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬5 মিনিটের পড়া
আগস্টে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১৩ শতাংশ, তবে ক্রেতারা নীরবে অর্ডার ছড়িয়ে দিচ্ছেন অন্য দেশে

আগস্টে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ১৩.১৪ শতাংশ, পৌঁছেছে ৪৪৩ কোটি ডলারে, আর এবারও এই বৃদ্ধির প্রায় পুরো কৃতিত্ব পোশাক কারখানাগুলোর, একই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বেড়েছে ২৬ শতাংশ। জুলাই-আগস্ট মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি এখন গত বছরের তুলনায় ১১.৪২ শতাংশ বেশি, যদিও শুধু জুলাইয়ে সামান্য কমেছিল, আগস্টের উল্লম্ফনে মোট হিসাব ইতিবাচক হয়েছে। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সেপ্টেম্বর জুড়ে কারখানা মালিকদের এই সংখ্যার পাশাপাশি একটা কম স্বস্তিদায়ক গল্পও বলে আসছেন, আন্তর্জাতিক ক্রেতারা কৌশলগতভাবে তাদের অর্ডার আরও বেশি সরবরাহকারী দেশে ছড়িয়ে দিচ্ছেন, বাংলাদেশে কেন্দ্রীভূত না রেখে। জানুয়ারি থেকে ৩০টা কারখানা বন্ধ হয়েছে, আবার নতুন ৫৩টা খুলেছে, এই পরিবর্তনের জবাবে বাণিজ্য সংগঠনটি চালু করেছে নতুন জাপান ডেস্ক, অক্টোবরে হংকংয়ে একটা রোডশো, আর বাণিজ্য সুবিধা বাড়ানোর জন্য চাপ।

আগস্টে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ১৩.১৪ শতাংশ, পৌঁছেছে ৪৪৩ কোটি ডলারে, আর এবারও এই বৃদ্ধির প্রায় পুরো কৃতিত্বটাই পোশাক কারখানাগুলোর। নিটওয়্যার রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ, ওভেন পোশাক বেড়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ, মোট পোশাক রপ্তানি মাসে দাঁড়িয়েছে ৩৮৯ কোটি ডলারে। শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই আগস্টে রপ্তানি বেড়েছে ২৬ শতাংশ, আর জুলাই-আগস্ট মিলিয়ে গত বছরের একই দুই মাসের তুলনায় এখন তা ১১.৪২ শতাংশ বেশি। শুধু হেডলাইনের সংখ্যাটা দেখলে এটাকে মনে হবে স্পষ্ট একটা ঘুরে দাঁড়ানো। কিন্তু বিজিএমইএর নিজের সভাপতি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে কারখানা মালিকদের যা বলে আসছেন তার সাথে মিলিয়ে দেখলে এটাকে মনে হয় এমন একদল ক্রেতার ওপর ভর করে টিকে থাকা প্রবৃদ্ধি, যারা নিজেদের অর্ডার ক্রমশ অন্য দেশে ছড়িয়ে দিচ্ছে।

আগস্টের পরিসংখ্যান আসলে কী বলছে

শুল্ক বিভাগের চালান তথ্য থেকে সংকলিত মাসিক বাণিজ্য পরিসংখ্যান বলছে, আগস্টে মোট রপ্তানি হয়েছে ৪৪৩ কোটি ডলারের, যেখানে ২০২৫ সালের আগস্টে ছিল ৩৯২ কোটি ডলার। মোট রপ্তানির প্রায় পুরোটাই বহন করেছে পোশাক খাত, ৪৪৩ কোটির মধ্যে ৩৮৯ কোটি ডলারই পোশাক, তবে বেশ কিছু ছোট খাত আরও বড় হারে বেড়েছে, পাট আর পাটজাত পণ্য বেড়েছে ৩৭.০৯ শতাংশ, ওষুধ শিল্প বেড়েছে ২৮.৫২ শতাংশ, চামড়া আর চামড়াজাত পণ্য বেড়েছে ২৪.৮৫ শতাংশ, আর প্রকৌশল পণ্য বেড়েছে ২৩.৮৮ শতাংশ। বাজারভিত্তিক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে, ২৬.০৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে, আর তুরস্কের মতো ছোট কিন্তু দ্রুত বেড়ে চলা কিছু গন্তব্য বেড়েছে ১৪১.০৩ শতাংশ পর্যন্ত, যা ইঙ্গিত দেয় বাণিজ্যের তথ্যে সত্যিকারের বৈচিত্র্য আসতে শুরু করেছে, শুধু এক বা দুইটা চিরচেনা বাজারে কেন্দ্রীভূত না থেকে।

শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বাজার নিয়ে বললে

শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের দিকে তাকালে দুই মাসের মিলিত সংখ্যাটা যতটা মসৃণ মনে হয়, বাস্তবে ছবিটা ততটা মসৃণ নয়। এই অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট মিলিয়ে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি করেছে ১৬১২.৯২ মিলিয়ন ডলারের, আগের বছরের একই সময়ের ১৪৪৭.৬০ মিলিয়ন ডলার থেকে যা ১১.৪২ শতাংশ বেশি। কিন্তু এই বৃদ্ধি দুই মাসে সমানভাবে ছড়িয়ে ছিল না, জুলাই মাসে বরং সামান্য কমেছিল, বছরওয়ারি ০.১৮ শতাংশ, এরপর আগস্টে হঠাৎ ২৫.৬৫ শতাংশ বেড়ে দুই মাসের মোট হিসাবকে ইতিবাচক করে তোলে। বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের এই পারফরম্যান্সকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ রপ্তানিকারকদের নেই, শিল্প সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন এই বাজারে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা এখন আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক কারণ বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশ আগের চেয়ে আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। এই পুরো সময়ে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ২০.৮ শতাংশই গেছে একা যুক্তরাষ্ট্রে, যা তাকে বাংলাদেশের একক বৃহত্তম জাতীয় বাজারে পরিণত করেছে অনেকখানি ব্যবধানে।

বিজিএমইএ আসলে যে বৈচিত্র্য নিয়ে চিন্তিত

হেডলাইনের প্রবৃদ্ধির সংখ্যাগুলো একটু অস্বস্তিকরভাবে বসে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে দেওয়া প্রকাশ্য মন্তব্যের পাশে। তার ভাষায়, আন্তর্জাতিক খুচরা বিক্রেতা আর ব্র্যান্ডগুলো কৌশলগতভাবে তাদের কিছু কার্যাদেশ বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নিচ্ছে, কোনো একক সংকটের কারণে নয়, বরং সাধারণ সোর্সিং কৌশলের অংশ হিসেবে, ক্রেতারা প্রতিযোগিতামূলক দামে মানসম্মত পণ্য চায়, আর ইচ্ছাকৃতভাবেই একটামাত্র সরবরাহকারী দেশে সব কেনাকাটা কেন্দ্রীভূত করা এড়িয়ে চলে। খান বলেছেন, আমরা চাই নতুন ক্রেতারা ক্রমাগত এখানে আসতে থাকুক, আর পুরনো ক্রেতারাও আমাদের সাথে ব্যবসা চালিয়ে যাক, একটা বক্তব্য যা আতঙ্কের চেয়ে বরং এই স্বীকারোক্তির মতো শোনায় যে বাংলাদেশের পোশাক খাতকে শুধু জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতেই হারানো অর্ডারের পরিমাণ নতুন অ্যাকাউন্ট দিয়ে পূরণ করে যেতে হচ্ছে। এই চলমান পরিবর্তনের পেছনের কর্মসংস্থানের হিসাবটা নিজেই বেশ কঠোর, জানুয়ারি থেকে ৩০টা কারখানা বন্ধ হয়েছে, চাকরি গেছে ১৪ হাজার মানুষের, আবার নতুন ৫৩টা কারখানা খুলেছে, তৈরি হয়েছে প্রায় ২৪ হাজার চাকরি, হেডলাইনের হিসাবে যা একটা নিট লাভ, কিন্তু যেসব শ্রমিক আর কারখানা মালিক এই ওঠাপড়ার হারানো দিকে পড়েছেন তাদের জন্য এর মধ্যে লুকিয়ে আছে অনেক বাস্তব বিপর্যয়।

বিজিএমইএ এই নিয়ে কী করছে

বাণিজ্য সংগঠনটির জবাব হলো এই বৈচিত্র্যায়নের প্রবণতাকে ঠেকানোর বদলে সেটার পেছনে ছোটা। বিজিএমইএ গত ২৩ সেপ্টেম্বর একটা আলাদা জাপান ডেস্ক চালু করেছে, লক্ষ্য জাপানের ১২০০ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি বাজারে বড় অংশ দখল করা, এমন একটা দেশ যেখানে বাংলাদেশের উপস্থিতি ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের তুলনায় পিছিয়ে ছিল। এছাড়া তারা পরিকল্পনা করছে আগামী ২৮ অক্টোবর হংকংয়ে বাংলাদেশ অ্যাপারেল রোডশো ২০২৬, যা সরাসরি এশিয়ার ক্রেতা আর সোর্সিং অফিসগুলোর কাছে পৌঁছানোর একটা প্রচেষ্টা। নীতিগত দিক থেকে বিজিএমইএ বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের বাণিজ্য মর্যাদা বাড়ানোর জন্য লবি চালিয়ে যাচ্ছে, যার ওপর নির্ভর করে বর্তমান মূল্য প্রতিযোগিতার অনেকখানি, আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে একটা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির জন্যও চাপ দিচ্ছে, যা দেশটার ভবিষ্যৎ স্বল্পোন্নত মর্যাদা থেকে উত্তরণের পরেও অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা ধরে রাখবে। এই উদ্যোগগুলোর কোনোটাই সামনের মাসের রপ্তানি পরিসংখ্যানে দেখা যাবে না, কিন্তু এগুলো শিল্পের নিজস্ব উপলব্ধিরই প্রতিফলন যে এই মাসের সংখ্যায় থাকা প্রবৃদ্ধিকে ধরে রাখতে ঠিক কোথায় কাজ করতে হবে।

আগস্ট রপ্তানির সংক্ষিপ্ত চিত্র

খাতআগস্ট ২০২৬ পরিসংখ্যান
মোট রপ্তানি, আগস্ট৪৪৩ কোটি ডলার (বছরওয়ারি ১৩.১৪ শতাংশ বেশি)
মোট পোশাক রপ্তানি, আগস্ট৩৮৯ কোটি ডলার (১৩.৯২ শতাংশ বেশি)
নিটওয়্যার প্রবৃদ্ধি১৪.৮৮ শতাংশ
ওভেন পোশাক প্রবৃদ্ধি১২.৭০ শতাংশ
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি, জুলাই-আগস্ট মিলিয়ে১৬১২.৯২ মিলিয়ন ডলার (১১.৪২ শতাংশ বেশি)
মোট পোশাক রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ২০.৮ শতাংশ
জানুয়ারি থেকে বন্ধ হওয়া কারখানা৩০টা (১৪ হাজার চাকরি হারিয়েছে)
জানুয়ারি থেকে নতুন খোলা কারখানা৫৩টা (প্রায় ২৪ হাজার নতুন চাকরি)

সামনে এগিয়ে যে ব্যাখ্যাটা টিকে থাকে

এসবের মানে এই নয় যে আগস্টের প্রবৃদ্ধি ভুয়া বা তাৎক্ষণিকভাবে ভঙ্গুর, মোট রপ্তানিতে ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি আর সবচেয়ে বড় একক বাজারে দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি বাস্তব সংখ্যা, বাস্তব চালানের প্রতিফলন। বিজিএমইএ সভাপতির নিজের মন্তব্য যা যোগ করে তা হলো মোট হিসাবের নিচে লুকিয়ে থাকা একটা জটিল টেক্সচার, চলে যাওয়া ক্রেতাদের ক্রমাগত নতুন ক্রেতা দিয়ে প্রতিস্থাপনের ওপর নির্ভরশীল প্রবৃদ্ধি মূলগতভাবে ভিন্ন আর বেশি ভঙ্গুর এক ধরনের প্রবৃদ্ধি, স্থিতিশীল ক্রেতাভিত্তির সাথে অর্ডার বাড়ানো থেকে আসা প্রবৃদ্ধির তুলনায়। জাপান ডেস্ক, হংকং রোডশো, আর স্বল্পোন্নত মর্যাদা বাড়ানো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্য শর্তের জন্য চাপ, এসবকে সবচেয়ে ভালোভাবে বোঝা যায় বাংলাদেশের পোশাক খাতের ঠিক এই ভঙ্গুরতার বিরুদ্ধে একটা প্রতিরক্ষা হিসেবে, যার লক্ষ্য এই মাসের শোভন রপ্তানি সংখ্যাকে চাহিদার আরও টেকসই আর বৈচিত্র্যময় একটা ভিত্তিতে রূপান্তর করা, তার আগেই, যে ক্রেতা পরিবর্তনের কথা খান বলে আসছেন তা সামলানো যায় এমন পর্যায় থেকে সরাসরি পতনে রূপ নেওয়ার আগেই।

মন্তব্য

    এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে সাইন ইন করুন

এরপর পড়ুন

পোশাক ছাড়িয়ে যুক্তরাজ্যে ১০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য বাংলাদেশের

যুক্তরাজ্যের আমদানি বাজারে বাংলাদেশের অংশ এখন মাত্র ০.৪৯ শতাংশ, এবং কর্মকর্তারা বলছেন এই অংশ দ্বিগুণ করে ১ শতাংশে নিতে পারলে তা বছরে ১০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির সমান হতে পারে। বাংলাদেশ আজ যুক্তরাজ্যে যা বিক্রি করে তার মধ্যে পোশাক ছাড়া অন্য পণ্যের অংশ মাত্র প্রায় ৬ শতাংশ, যদিও প্রসেসড ফুড, ওষুধ, জুতা ও আসবাবপত্রের চাহিদা আছে। যুক্তরাজ্যের একটি বাণিজ্য সুবিধা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়ার পরও এই প্রবেশাধিকারের বেশিরভাগ শুল্কমুক্ত রাখবে, তবে রপ্তানিকারকদের এখনও মান ও সার্টিফিকেশনের ঘাটতি পূরণ করতে হবে।

উত্তরায় শ্রমিক বিক্ষোভের পর নতুন মজুরি বোর্ড গঠনে উদ্যোগী সরকার, দাবি মাসে ৩০,০০০ টাকা

উত্তরায় শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের একদিন পর বাংলাদেশের শ্রম মন্ত্রণালয় কারখানা মালিক ও শ্রমিকদের কাছ থেকে নতুন মজুরি বোর্ডের জন্য প্রতিনিধির নাম চাইছে, বিক্ষোভের দাবি ছিল মাসিক মজুরি ৩০,০০০ টাকা করা। বর্তমান ন্যূনতম মজুরি ১২,৫০০ টাকা ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নির্ধারিত হয়েছিল, এবং শ্রমিক নেতারা বলছেন আইন অনুযায়ী পর্যালোচনা এমনিতেই দেরি হয়ে গেছে। কারখানা মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর মধ্যে পরের মজুরি বোর্ড ঠিক কবে আসবে তা নিয়ে মতভেদ আছে, যা নতুন মজুরি ২০২৭ বা ২০২৮ সাল পর্যন্ত বিলম্বিত করতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানির দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় উঠল ৫৩ মাসের সর্বোচ্চে

সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ৮.১০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের আমদানি ঋণপত্র বা এলসি খুলেছেন, যা গত ৫৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত বছরের তুলনায় এই বৃদ্ধি ২২.৩৭ শতাংশ, তবে ব্যাংকাররা বলছেন এই উল্লম্ফনের মূল কারণ আমদানির পরিমাণ বাড়া নয়, বরং জ্বালানি, সার ও কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়া। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়াই এই উচ্চ আমদানি ব্যয়ের একটা প্রধান কারণ।