বাংলাদেশের পাটজাত পণ্যের ওপর নতুন অ্যান্টি সাবসিডি শুল্ক বসাল ভারত, আগের শুল্কের ওপর আরেকটি স্তর
বাংলাদেশি পাটজাত পণ্যের ওপর টনপ্রতি সর্বোচ্চ ১৪০.০৪ ডলার পর্যন্ত কাউন্টারভেইলিং শুল্কের সুপারিশ করেছে ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ট্রেড রেমেডিজ, নয়াদিল্লি একই পণ্যের ওপর টনপ্রতি ৪৪৫ ডলার পর্যন্ত পৃথক অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক বসানোর কয়েকদিনের মধ্যেই এটা এলো। বাংলাদেশি শিল্প প্রতিনিধিরা যুক্তি দিচ্ছেন, ডব্লিউটিও নিয়মে একই চালানে এই দুটো ব্যবস্থা একসঙ্গে বসানো আইনসম্মত নয়, একই বিরোধের আগের একটা পর্বে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যে আপত্তি তুলেছিল তারই প্রতিধ্বনি এটা। ২০২১ অর্থবছরের ১১৬ কোটি ডলার থেকে কমে যাওয়ার পর ২০২৬ অর্থবছরে ৮ শতাংশ বেড়ে ৮৮ কোটি ৪০ লাখ ডলারে দাঁড়ানো পাট আয়ের ভঙ্গুর পুনরুদ্ধারকে এই সময়টা ঝুঁকিতে ফেলছে।
এক সপ্তাহের মধ্যেই ভারতের কাছ থেকে দ্বিতীয় ধাক্কা খেল বাংলাদেশের পাট রপ্তানিকারকরা। নয়াদিল্লি বাংলাদেশের পাটজাত পণ্যের ওপর টনপ্রতি ৪৪৫ ডলার পর্যন্ত অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করার কয়েকদিনের মধ্যেই ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ট্রেড রেমেডিজ চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে অতিরিক্ত একটা কাউন্টারভেইলিং শুল্কের সুপারিশ করা হয়েছে, এবার লক্ষ্য সরকারি ভর্তুকি, যা ভারতীয় মিল মালিকদের অভিযোগ বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা পেয়ে থাকেন। ঢাকার শিল্প প্রতিনিধিরা এখন একটা সুনির্দিষ্ট আইনি আপত্তি তুলছেন, একই চালানে দুটো ব্যবস্থা একসঙ্গে চাপিয়ে দেওয়াটা বৈশ্বিক বাণিজ্য নিয়মের অধীনে আদৌ অনুমোদিত কিনা।
রপ্তানিকারকদের কত দিতে হবে
ডিজিটিআরের সুপারিশকৃত কাউন্টারভেইলিং শুল্ক রপ্তানিকারকভেদে ভিন্ন, যা দেখায় প্রতিটা মিল সরকারি সহায়তা থেকে কতটা উপকৃত হয়েছে বলে বিবেচিত হয়েছে। তদন্তে নির্দিষ্টভাবে নাম আসা সাগর জুট স্পিনিং মিলস আর ওরিয়েন্টাল জুট মিলসকে দিতে হবে টনপ্রতি ১০১.৫৪ ডলার। নমুনা হিসেবে নেওয়া বৃহত্তর একটা মিল গোষ্ঠীকে দিতে হবে টনপ্রতি ১০১.৫৪ থেকে ১৩২.৩৬ ডলারের মধ্যে, আর যে ১৮টি মিল আলাদাভাবে নমুনায় না থাকলেও তদন্তে সহযোগিতা করেছে তাদের দিতে হবে টনপ্রতি ১১৬.৪৮ ডলার। যেসব বাংলাদেশি রপ্তানিকারক তদন্তে একেবারেই সহযোগিতা করেননি তাদের সর্বোচ্চ হার টনপ্রতি ১৪০.০৪ ডলার দিতে হবে। একই তদন্তের আওতায় থাকা নেপাল কিছুটা ভালো অবস্থানে আছে, তাদের রপ্তানিকারকদের দিতে হবে টনপ্রতি ৫৪.৭৭ থেকে ৬০.৫৪ ডলার।
| রপ্তানিকারক শ্রেণি | কাউন্টারভেইলিং শুল্ক (প্রতি টন) |
|---|---|
| সাগর জুট স্পিনিং মিলস, ওরিয়েন্টাল জুট মিলস | ১০১.৫৪ ডলার |
| নমুনায় থাকা মিল (পরিসীমা) | ১০১.৫৪ থেকে ১৩২.৩৬ ডলার |
| নমুনার বাইরের ১৮টি সহযোগী মিল | ১১৬.৪৮ ডলার |
| অন্যান্য সব বাংলাদেশি রপ্তানিকারক | ১৪০.০৪ ডলার |
| নেপালি রপ্তানিকারক | ৫৪.৭৭ থেকে ৬০.৫৪ ডলার |
তদন্তটি ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত বারো মাসের একটা সময়কাল ধরে চলেছে আর এতে পাটের সুতা, দড়ি, চটের বস্তা, হেসিয়ান কাপড় এবং ওজনে অন্তত অর্ধেক পাট থাকা যেকোনো বৈচিত্র্যময় পাটজাত পণ্য পড়েছে। ডিজিটিআরের ২৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদন ভারত সরকারকে শুল্ক আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করার ভিত্তি দিয়েছে, সাধারণত ডিজিটিআরের সুপারিশের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই পদক্ষেপ আসে।
এই আইনি লড়াই বাংলাদেশ আগেও লড়েছে
এই একই যুক্তি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরতে হয়েছে বাংলাদেশের পাট খাতকে, এবারই প্রথম নয়। বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একই পাটজাত পণ্য নিয়ে ভারতের আগের একটা কাউন্টারভেইলিং শুল্ক তদন্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়ে ডিজিটিআরকে লিখেছিল যে তদন্ত শুরু করার মতো "কোনো প্রাথমিক প্রমাণ নেই", আর যুক্তি দিয়েছিল যে বাংলাদেশ পাটজাত পণ্যের ক্ষেত্রে ডব্লিউটিওর মানদণ্ড পূরণ করে এমন কোনো ভর্তুকি দেয় না। সেই আগের বিরোধ থেকেই এসেছিল আজকের মূল আইনি যুক্তিটাও, যা তখন তুলে ধরেছিলেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য মো. হাফিজুর রহমান, তিনি বলেছিলেন "একই পণ্যের ওপর একসঙ্গে অ্যান্টি ডাম্পিং আর অ্যান্টি সাবসিডি শুল্ক বসানোর কোনো বিধান ডব্লিউটিও বা বিদ্যমান ভারতীয় আইনে নেই।" ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশের পাট রপ্তানি ভারতে প্রায় ৬ থেকে ৩৫২ ডলার প্রতি টন পর্যন্ত অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্কের আওতায় আছে, অর্থাৎ বর্তমান এই লড়াই আসলে প্রায় এক দশক ধরে বহাল থাকা বিধিনিষেধের ওপর আরেকটা ওভারল্যাপিং স্তর যোগ হবে কিনা তা নিয়েই।
বাংলাদেশের শিল্প এখন যা বলছে
বিএফটিআইয়ের প্রধান নির্বাহী মোস্তফা আবিদ খান দেশভিত্তিক কাউন্টারভেইলিং শুল্কের আইনি ভিত্তি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, তিনি বলেছেন "ভর্তুকি একটা দেশ একটা খাতকে দেয়", এই পার্থক্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন ব্যাপকভিত্তিক সরকারি সহায়তাকে ভারতের মতো একটা নির্দিষ্ট বাজারে রপ্তানির জন্য লক্ষ্যবদ্ধ ভর্তুকি হিসেবে গণ্য করাটা ন্যায্য নয়। বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান তপশ প্রামাণিক আরও এগিয়ে গিয়ে অ্যান্টি ডাম্পিং আর কাউন্টারভেইলিং দুটো শুল্ক একসঙ্গে প্রয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আর সরকারকে "আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের এই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করার" আহ্বান জানিয়েছেন, যা মূলত ডব্লিউটিওর আনুষ্ঠানিক বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার দিকে ইঙ্গিত, যা বাংলাদেশ সাধারণত তার সবচেয়ে বড় বাণিজ্য প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে ব্যবহার করা এড়িয়ে গেছে।
কেন সময়টা ক্ষতি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে
ভারতে বাংলাদেশের পাট রপ্তানির জন্য এমনিতেই একটা কঠিন সময়ে এই কাউন্টারভেইলিং শুল্ক এসে পড়ল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চালান আগের বছরের তুলনায় ১৮ শতাংশ কমে নেমে এসেছিল মাত্র ১.১৭ লাখ টনে, যা একটা দীর্ঘ পতনেরই অংশ, যেখানে সামগ্রিক পাট আয় ২০২১ অর্থবছরের ১১৬ কোটি ডলার থেকে কমে ২০২৫ অর্থবছরে দাঁড়িয়েছিল ৮২ কোটি ডলারে। এবছর অবশ্য একটা সত্যিকারের ভালো খবরও ছিল, ২০২৬ অর্থবছরে পাট আয় আগের বছরের তুলনায় ৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৮ কোটি ৪০ লাখ ডলারে, যা বোঝায় ভারতের বাণিজ্যনীতিতে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই রপ্তানিকারকরা হারানো জায়গা কিছুটা হলেও ফিরে পেতে শুরু করেছিলেন। নতুন কাউন্টারভেইলিং শুল্ক ঠিক যখন সেই পুনরুদ্ধার গতি পাচ্ছিল তখনই তা থামিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে, আর এটা এমন একই সপ্তাহে এসেছে যখন বিডি ফাইন্যান্সিয়াল রিভিউ আলাদাভাবে জানিয়েছে যে পশ্চিমা ক্রেতাদের কাছ থেকে নিজস্ব বৈচিত্র্যকরণের চাপে পড়েছেন পোশাক রপ্তানিকারকরাও, যা মনে করিয়ে দেয় বাংলাদেশের রপ্তানি খাতগুলোর জন্য একসঙ্গে একাধিক ফ্রন্টে বাণিজ্য উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে।
এরপর কী হবে
কাউন্টারভেইলিং শুল্ক আইনগতভাবে কার্যকর হওয়ার আগে ভারত সরকারকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তা জারি করতে হবে, এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে একই পণ্য শ্রেণি নিয়ে আগের বিরোধের সময় যেমন আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিল তেমনটা আবার জানানোর একটা সংকীর্ণ সুযোগ দেয়। এবার সেই আপত্তি বাড়তি কোনো গুরুত্ব পাবে কিনা তা মূলত নির্ভর করছে বাংলাদেশ একটা কূটনৈতিক চিঠির বাইরে গিয়ে সত্যিকারের একটা ডব্লিউটিও বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন করতে রাজি কিনা তার ওপর, যা বিজেএসএর প্রামাণিক স্পষ্টভাবে চাইছেন কিন্তু বৃহত্তর বাণিজ্য সম্পর্কের কথা বিবেচনা করে ঢাকা ঐতিহাসিকভাবে ভারতের বিরুদ্ধে এই পথে যেতে অনীহা দেখিয়ে এসেছে। যেসব মিল ইতিমধ্যে ডিজিটিআরের তদন্তে সহযোগিতা করে কম হার ১০১.৫৪ থেকে ১৩২.৩৬ ডলারের মধ্যে পেয়েছে তারাও সর্বোচ্চ হারের মুখোমুখি হওয়া মিলগুলোর মতোই সতর্ক নজর রাখবে, কারণ চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিতে শুল্ক আনুষ্ঠানিকভাবে আরোপের আগে পৃথক কোম্পানির হার এখনও সমন্বয় হতে পারে।
পেছনে থাকা কাঁচা পাট চাষিরা যা দেখছেন
বাণিজ্য কর্মকর্তাদের এই বাদানুবাদের আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে একটা বাস্তবতা, যে তৈরি পাটজাত পণ্যের রপ্তানিতে কোনো দীর্ঘস্থায়ী চাপ শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়ে দেশের দক্ষিণ পশ্চিম আর মধ্যাঞ্চলের জেলাগুলোতে ঘনীভূত প্রায় ৪০ লাখ কৃষক পরিবারের ওপর, যারা কাঁচা পাটকে নগদ ফসল হিসেবে চাষ করেন। ভারতমুখী চালানে বেশি কার্যকর খরচের মুখে পড়া মিলগুলোর কাছে খামার পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক দাম দেওয়ার সুযোগ কমে যায়, আর পাটের অর্থনীতিতে খুব একটা কুশন নেই, ধানের আর সবজির সঙ্গে একই জমির জন্য প্রতিযোগিতা করা এই ফসলটিকে মৌসুম থেকে মৌসুমে ক্ষুদ্র চাষিদের কাছে আকর্ষণীয় রাখতে একটা নির্ভরযোগ্য রপ্তানি বাজার দরকার। ঠিক এই ধরনের যেকোনো একটা বাজারের বাণিজ্যনীতির ওপর এই নির্ভরশীলতা এড়াতেই বাংলাদেশ বছরের পর বছর ধরে কাঁচা আর আধা প্রক্রিয়াজাত পাট রপ্তানির বদলে উচ্চ মূল্যের বৈচিত্র্যময় পণ্যের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছে, আর ভারতের এই দুই স্তরের শুল্কের সময়টা মনে করিয়ে দেয় সেই বৈচিত্র্যকরণ এখনও কতটা দূরে।
তথ্যসূত্র
এরপর পড়ুন
পোশাক ছাড়িয়ে যুক্তরাজ্যে ১০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য বাংলাদেশের
যুক্তরাজ্যের আমদানি বাজারে বাংলাদেশের অংশ এখন মাত্র ০.৪৯ শতাংশ, এবং কর্মকর্তারা বলছেন এই অংশ দ্বিগুণ করে ১ শতাংশে নিতে পারলে তা বছরে ১০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির সমান হতে পারে। বাংলাদেশ আজ যুক্তরাজ্যে যা বিক্রি করে তার মধ্যে পোশাক ছাড়া অন্য পণ্যের অংশ মাত্র প্রায় ৬ শতাংশ, যদিও প্রসেসড ফুড, ওষুধ, জুতা ও আসবাবপত্রের চাহিদা আছে। যুক্তরাজ্যের একটি বাণিজ্য সুবিধা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়ার পরও এই প্রবেশাধিকারের বেশিরভাগ শুল্কমুক্ত রাখবে, তবে রপ্তানিকারকদের এখনও মান ও সার্টিফিকেশনের ঘাটতি পূরণ করতে হবে।
উত্তরায় শ্রমিক বিক্ষোভের পর নতুন মজুরি বোর্ড গঠনে উদ্যোগী সরকার, দাবি মাসে ৩০,০০০ টাকা
উত্তরায় শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের একদিন পর বাংলাদেশের শ্রম মন্ত্রণালয় কারখানা মালিক ও শ্রমিকদের কাছ থেকে নতুন মজুরি বোর্ডের জন্য প্রতিনিধির নাম চাইছে, বিক্ষোভের দাবি ছিল মাসিক মজুরি ৩০,০০০ টাকা করা। বর্তমান ন্যূনতম মজুরি ১২,৫০০ টাকা ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নির্ধারিত হয়েছিল, এবং শ্রমিক নেতারা বলছেন আইন অনুযায়ী পর্যালোচনা এমনিতেই দেরি হয়ে গেছে। কারখানা মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর মধ্যে পরের মজুরি বোর্ড ঠিক কবে আসবে তা নিয়ে মতভেদ আছে, যা নতুন মজুরি ২০২৭ বা ২০২৮ সাল পর্যন্ত বিলম্বিত করতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানির দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় উঠল ৫৩ মাসের সর্বোচ্চে
সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ৮.১০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের আমদানি ঋণপত্র বা এলসি খুলেছেন, যা গত ৫৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত বছরের তুলনায় এই বৃদ্ধি ২২.৩৭ শতাংশ, তবে ব্যাংকাররা বলছেন এই উল্লম্ফনের মূল কারণ আমদানির পরিমাণ বাড়া নয়, বরং জ্বালানি, সার ও কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়া। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়াই এই উচ্চ আমদানি ব্যয়ের একটা প্রধান কারণ।