স্টার্টআপ ও প্রযুক্তি

বাংলাদেশে স্টার্টআপ বিনিয়োগ পাঁচ বছরের সর্বনিম্নে, ঘাটতি পূরণে সরকারের নতুন ৪০০ কোটি টাকার তহবিল

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬4 মিনিটের পড়া
বাংলাদেশে স্টার্টআপ বিনিয়োগ পাঁচ বছরের সর্বনিম্নে, ঘাটতি পূরণে সরকারের নতুন ৪০০ কোটি টাকার তহবিল

বাংলাদেশের স্টার্টআপগুলো এ বছরের প্রথমার্ধে বিনিয়োগ পেয়েছে মাত্র ৬০ লাখ ডলার, ২০২৫ সালের একই সময়ের ১২ কোটি ডলারের তুলনায় যা ৯৫ শতাংশ কম, অথচ একই সময়ে বৈশ্বিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। সরকারের জবাব হলো স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে পরিচালিত ৪০০ কোটি টাকার একটা ফান্ড অব ফান্ডস, যেটা আগস্ট থেকে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে আগ্রহপত্র নেওয়া শুরু করেছে, লক্ষ্য সরকারি টাকা সেই বেসরকারি তহবিলগুলোর মাধ্যমে পাঠানো যাদের সাথে স্টার্টআপরা প্রতিদিন কাজ করে। প্রতিষ্ঠাতা আর শিল্প সংশ্লিষ্টরা দায়ী করছেন পরিচিত কিছু সমস্যাকে, ডলার সংকট, একাধিক সংস্থা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা নিয়ন্ত্রণ আর বেরিয়ে আসার সীমিত পথ, যেগুলো একটামাত্র সরকারি তহবিল দিয়ে মেটানো কঠিন। চারশো কোটি টাকা দিয়ে বেসরকারি বিনিয়োগের প্রায় এগারো কোটি চল্লিশ লাখ ডলারের ঘাটতি সত্যিই কতটা পূরণ হবে, সেটাই এখন আসল প্রশ্ন।

বাংলাদেশের স্টার্টআপগুলো এ বছরের প্রথম ছয় মাসে বিনিয়োগ পেয়েছে মাত্র ৬০ লাখ ডলার, মোটে ছয়টা চুক্তি আর চারটা কোম্পানি জুড়ে, যেখানে ২০২৫ সালের একই সময়ে এসেছিল ১২ কোটি ডলার। অর্থাৎ পঁচানব্বই শতাংশ পতন। বিশ্ব প্রেক্ষাপটে রাখলে এই পতন আরও বড় দেখায়, কারণ একই সময়ে বিশ্বব্যাপী ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগ পৌঁছেছে ৫১০০ কোটি ডলারে, এক বছর আগের ২৬০০ কোটি ডলারের প্রায় দ্বিগুণ। ঠিক এই ফাঁকটাতেই এগিয়ে এসেছে সরকার, আগস্ট মাসে নীরবে শুরু হয়েছে চারশো কোটি টাকার একটা ফান্ড অব ফান্ডসের জন্য আগ্রহপত্র আহ্বান, যার লক্ষ্য হলো সরাসরি প্রতিষ্ঠাতাদের হাতে টাকা না দিয়ে সেই ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে টাকা পাঠানো, যাদের কাছ থেকে স্টার্টআপরা আসলে বিনিয়োগ পায়।

পরিসংখ্যানটা আসলে কতটা খারাপ

শুধু হেডলাইনের শতাংশ সংখ্যাটা বললে এই পতনের আসল ভয়াবহতা বোঝা যায় না। ছয় মাস জুড়ে মাত্র ছয়টা চুক্তি মানে হলো, সতেরো কোটির বেশি মানুষের একটা দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে সারা দেশে মাসে গড়ে একটার মতো বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে। চালডাল-এর প্রধান নির্বাহী ওয়াসিম আলিম সরাসরি দায়ী করেছেন দীর্ঘস্থায়ী বৈদেশিক মুদ্রার অস্থিরতাকে, বলছেন এর ফলে টাকার অঙ্কে রিটার্নের হিসাব কষা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। খাতটি নিয়ে গবেষণা করা প্রতিষ্ঠান লাইটক্যাসল পার্টনার্স আরও স্পষ্ট করে বলেছে, বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির মৌলিক দিকগুলো দীর্ঘমেয়াদে ভালো সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়, কিন্তু সেই সম্ভাবনা এখনো প্রকৃত বিনিয়োগে রূপ নেয়নি। বাংলাদেশ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী শওকত হোসেন আরও দীর্ঘ দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বলেছেন, ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশি স্টার্টআপগুলো মোট যে প্রায় একশো কোটি ডলার তুলতে পেরেছে, তা প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় খুব একটা বড় সংখ্যা নয়, যারা একই সময়ে অনেক গভীর ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বাজার গড়ে তুলেছে।

সরকার আসলে কী দিচ্ছে

চারশো কোটি টাকার এই তহবিল, বর্তমান বিনিময় হারে যা প্রায় চার কোটি আশি লাখ ডলারের সমান, সরাসরি বিনিয়োগের বদলে একটা ফান্ড অব ফান্ডস হিসেবে সাজানো হয়েছে। এটা পরিচালনা করছে আইসিটি বিভাগের অধীনে থাকা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড, যারা সরাসরি কোনো স্টার্টআপকে চেক লিখে দেবে না। বরং তারা বেছে নেবে হাতে গোনা কিছু দেশি আর আন্তর্জাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড, যাদের সুশাসন, পেশাদার ব্যবস্থাপনা আর বিশ্বাসযোগ্য বিনিয়োগ কৌশল আছে, আর সরকারি টাকা সেই ব্যবস্থাপকদের হাতে তুলে দেবে বিনিয়োগের জন্য। সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল হাই এই পদ্ধতিকে বলেছেন ইচ্ছাকৃতভাবেই পরোক্ষ, তার ভাষায় তহবিলটি এমন সব প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করবে যাদের ট্র্যাক রেকর্ড আছে, নিজে থেকে কোনো নির্দিষ্ট স্টার্টআপ বেছে নেওয়ার চেষ্টা না করে। প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি ও টেলিকম বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এটাকে বলেছেন বড় সমাধানের একটা অংশ মাত্র, প্রকাশ্যেই বলেছেন শুধু অর্থায়ন দিয়ে ইকোসিস্টেমের সমস্যা মিটবে না, স্টার্টআপদের দরকার পরামর্শ, দক্ষতা, বাজারের সংযোগ আর প্রযুক্তিগত সহায়তাও। টেলিকম মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম আরেকটু সতর্ক সুরে বলেছেন, এই ধরনের উদ্যোগ কাগজে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, এর সুফল বাস্তব বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিষ্ঠাতারা কেন বলছেন এটা যথেষ্ট নয়

বাংলাদেশের নিজস্ব ভেঞ্চার ইতিহাসের হিসেবে চারশো কোটি টাকা একটা বড় অঙ্কই, কিন্তু এটাকে মেলাতে হবে ২০২৫ আর ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে যে প্রায় এগারো কোটি চল্লিশ লাখ ডলারের ফারাক তৈরি হয়েছে তার সাথে। পুরো তহবিলটা যদি এক বছরের মধ্যেই খরচ হয়ে যায়, আর যেসব বেসরকারি ভেঞ্চার ফান্ডের মাধ্যমে এটা বিনিয়োগ হবে তারাও সমপরিমাণ টাকা যোগ করে, তবুও এটা মাত্র এক অর্ধবছরের হারানো বেসরকারি বিনিয়োগের একটা অংশই পূরণ করবে, তাও যদি ধরে নেওয়া যায় পতনের মূল কারণগুলো আর থাকবে না। প্রতিষ্ঠাতা আর বিশ্লেষকদের বর্ণনা অনুযায়ী সেই কারণগুলো মূলত কোনো একটা তহবিলের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে এমন তীব্র ওঠানামা যে ডলারের হিসেবে রিটার্নের পূর্বাভাস অনির্ভরযোগ্য হয়ে পড়ে, কোম্পানি নিবন্ধন থেকে শুরু করে মূলধন দেশে ফেরত আনা পর্যন্ত একাধিক সরকারি সংস্থা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া, আর এমন এক বিনিয়োগ পরিবেশ যেখানে সফল বাজি থেকে বেরিয়ে আসার বাস্তব পথ, অধিগ্রহণ হোক বা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি, খুবই সীমিত। একটা ফান্ড অব ফান্ডস পুঁজি জোগাতে পারে, কিন্তু নিজে থেকে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার ঠিক করতে বা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে পারে না, আর সে কারণেই খাতটির সাথে ঘনিষ্ঠ অনেকেই এই তহবিলকে বলছেন প্রয়োজনীয় কিন্তু যথেষ্ট নয়। আগস্টে তহবিল চালুর সময় প্রকাশিত একটা শিল্প বিশ্লেষণে এই ভারসাম্যহীনতার একটা স্পষ্ট সংখ্যা উঠে এসেছে, গত এক দশকে বাংলাদেশি স্টার্টআপরা যে প্রায় একশো বিশ কোটি ডলার তুলেছে তার মধ্যে দেশীয় বিনিয়োগকারীদের অংশ মাত্র সাত শতাংশের মতো, বাকিটা প্রায় পুরোপুরি নির্ভরশীল ছিল বিদেশি পুঁজির ওপর, যা এখন মোটামুটি বন্ধ হয়ে গেছে।

তখন আর এখনের স্টার্টআপ বিনিয়োগ

মাপকাঠিপরিসংখ্যান
বাংলাদেশের স্টার্টআপ বিনিয়োগ, ২০২৫ প্রথমার্ধ১২ কোটি ডলার
বাংলাদেশের স্টার্টআপ বিনিয়োগ, ২০২৬ প্রথমার্ধ৬০ লাখ ডলার (৬টা চুক্তি, ৪টা কোম্পানি)
বছরওয়ারি পতন৯৫ শতাংশ
বৈশ্বিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, ২০২৫ প্রথমার্ধ২৬০০০ কোটি ডলার
বৈশ্বিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, ২০২৬ প্রথমার্ধ৫১০০০ কোটি ডলার
নতুন সরকারি ফান্ড অব ফান্ডস৪০০ কোটি টাকা (প্রায় ৪.৮ কোটি ডলার)
২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশি স্টার্টআপদের মোট বিনিয়োগ প্রাপ্তিপ্রায় ১০০ কোটি ডলার

এরপর নজর রাখতে হবে যেদিকে

স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের আগ্রহপত্র আহ্বান প্রক্রিয়া এখনো চলছে, আর এই কর্মসূচির আসল পরীক্ষা হবে তখনই যখন নির্দিষ্ট ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ব্যবস্থাপক বাছাই হয়ে যাবে আর সরকারি টাকা সত্যিই তাদের মাধ্যমে চুক্তিতে গিয়ে পৌঁছাবে। সেই বাছাই প্রক্রিয়াতেই পরীক্ষা হবে হাইয়ের বলা পেশাদার সুশাসনের মানদণ্ডগুলো, বাংলাদেশের অভিজ্ঞ স্থানীয় ফান্ড ব্যবস্থাপকদের সংকীর্ণ তালিকার বিপরীতে। এদিকে যে সামষ্টিক পরিস্থিতি প্রথমে বিনিয়োগ কমিয়ে দিয়েছিল তা দ্রুত বদলানোর সম্ভাবনা কম। বৈদেশিক মুদ্রার চাপ এ বছর সামান্যই কমেছে, আর যে বহু সংস্থা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা নিয়ন্ত্রক জটিলতা বড় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হতাশ করে, সেটা ঠিক ততটাই প্রযোজ্য একটা দশ জনের স্টার্টআপের সাথে চুক্তি করতে চাওয়া ভেঞ্চার ফান্ডের ক্ষেত্রেও। এমন পরিবেশে সরকার সমর্থিত একটা পুঁজির উৎস কিছুটা সরবরাহ বাড়াতে পারে, কিন্তু এই মাসে ইকোসিস্টেম নিয়ে কথা বলা প্রতিষ্ঠাতা আর বিশ্লেষকরা একটা বিষয়ে একমত ছিলেন, চারশো কোটি টাকা সমস্যার টাকার দিকটা সামলাচ্ছে, কিন্তু টাকা আসা বন্ধ হওয়ার আসল কারণগুলোকে স্পর্শও করছে না।

মন্তব্য

    এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে সাইন ইন করুন

এরপর পড়ুন

কেন আপনার দোকানের ট্রেড লাইসেন্স এখন বাংলা কিউআর কোড দেখানোর ওপর নির্ভর করছে

বাংলাদেশে ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া বা নবায়ন করার সঙ্গে এখন একটা অতিরিক্ত শর্ত যুক্ত হয়েছে, বাংলা কিউআর পেমেন্ট গ্রহণ করছেন তা দেখাতে হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগ সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা আর জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে লাইসেন্সিংয়ের শর্ত হিসেবে বাংলা কিউআর সংযুক্তি বাধ্যতামূলক করতে, আর এই মাসে তাদের বলেছে মাঠপর্যায়ে এটা কার্যকর করা শুরু করতে। এই নিয়ম এক বছরের ক্রমবর্ধমান কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশনার ওপর দাঁড়িয়ে, যার পেছনে আছে ব্যাংক আর পেমেন্ট প্রদানকারীদের জন্য ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আর কারাদণ্ডের বিধান।

আজ থেকে বাংলা কিউআর পেমেন্ট বিনামূল্যে আর তাৎক্ষণিক, খরচ বহন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক ৩০ সেপ্টেম্বর নিশ্চিত করেছে যে ১ অক্টোবর থেকে প্রতিটা বাংলা কিউআর মার্চেন্ট পেমেন্ট তাৎক্ষণিকভাবে জমা হবে, সর্বনিম্ন ১ শতাংশ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট তুলে দেওয়া হয়েছে আর ইন্টারচেঞ্জ ফি শূন্যে নামানো হয়েছে, যাতে ব্যাংকগুলো এই সেবা বিনামূল্যে বা নামমাত্র খরচে দিতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজস্ব প্রণোদনা দিয়ে এই ঘাটতি পূরণ করবে, প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা পর্যন্ত, যা এমন একটা নেটওয়ার্কের ওপর বাজি যার লেনদেনের পরিমাণ গত ৯০ দিনেই ৩.৫ গুণ বেড়েছে। ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেনও ১ নভেম্বর থেকে একইভাবে তাৎক্ষণিক হবে, আর গ্রাহকরা কীভাবে সেবাটা ব্যবহার করেন তার কয়েকটা ঘাটতি ঠিক করতে ব্যাংকগুলোর হাতে সময় আছে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।

পাঁচ ডিজিটাল ব্যাংককে চালুর প্রস্তুতির অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক পাঁচটি ডিজিটাল ব্যাংককে সম্মতিপত্র দিয়েছে, যার মধ্যে আছে বিকাশ, রবি আজিয়াটা আর বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওনের সমর্থনপুষ্ট উদ্যোগ, তিন বছর ধরে চলা লাইসেন্স প্রক্রিয়ায় ১৪টি আবেদনকারীর মধ্য থেকে বেছে নিয়ে। এই অনুমোদন এখনো শর্তসাপেক্ষ প্রথম ধাপ মাত্র, চূড়ান্ত লাইসেন্স নয়, আর সঙ্গে এসেছে অনেক বেশি মূলধনের শর্ত, ৩০০ কোটি টাকা, যাতে দুর্বল মূলধনের প্রতিষ্ঠান বাদ পড়ে। নিয়ন্ত্রকরা বলছেন এই শাখাবিহীন ব্যাংকগুলো ছোট গ্রাহক ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারদের জন্য, প্রচলিত ব্যাংকগুলোর সঙ্গে করপোরেট ঋণে প্রতিযোগিতার জন্য নয়। এই মডেল সত্যিই আনুষ্ঠানিক ঋণের নাগাল বাড়াবে কিনা তা এখনো পরীক্ষিত নয়, আসল ফল জানতে এখনো বছরের পর বছর লাগবে।