অর্থনীতি ও নীতি

বাংলাদেশের তিন বছরের এলডিসি রেহাই এসেছে ছয়টি কাজের তালিকা নিয়ে, শুরুতেই নগদ প্রণোদনা

২ নভেম্বর, ২০২৬5 মিনিটের পড়া
বাংলাদেশের তিন বছরের এলডিসি রেহাই এসেছে ছয়টি কাজের তালিকা নিয়ে, শুরুতেই নগদ প্রণোদনা

জাতিসংঘ বাংলাদেশকে এলডিসি বাণিজ্য সুবিধা হারানোর আগে আরও তিন বছর সময় দিয়েছে, কিন্তু অর্থনীতিবিদরা বলছেন এই বাড়তি সময় শেষ ও শর্তসাপেক্ষ। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি থেকে রপ্তানি নগদ প্রণোদনা তুলে নেওয়া পর্যন্ত ছয়টি কাজের তালিকায় এখন জুড়ে গেছে ২০২৯ সালের কঠোর সময়সীমা।

৩০ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি মর্যাদা থেকে স্নাতক হওয়ার সময় তিন বছর পিছিয়ে দিয়েছে, ২৪ নভেম্বর ২০২৬ থেকে ২৪ নভেম্বর ২০২৯ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি আছে, কারণ বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৭৩ শতাংশ এলডিসি বাণিজ্য সুবিধার ওপর নির্ভরশীল, মূলত ইইউর মতো বাজারে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার। কিন্তু এই বর্ধিত সময়ের সঙ্গে একটা সতর্কবার্তাও জুড়ে দেওয়া হয়েছে, জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি কমিটি এটাকে ব্যতিক্রমী বলেছে এবং জানিয়েছে, এরপর আর কোনো সময় বাড়ানো সমর্থন করা হবে না। তাহলে এই তিন বছর সময় কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে আসলে কী করতে হবে?

  • এলডিসি বাণিজ্য সুবিধা হারানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে বাংলাদেশের হাতে এখন আছে নভেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত সময়, মূল পরিকল্পনার চেয়ে তিন বছর বেশি।
  • অর্থনীতিবিদ ও বাণিজ্য সংস্থাগুলো ছয়টি অগ্রাধিকার কাজের তালিকা তুলে ধরেছে, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি থেকে শুরু করে জ্বালানি সরবরাহ ঠিক করা পর্যন্ত।
  • সিপিডি চায়, রপ্তানি নগদ প্রণোদনা, যা বাংলাদেশ কেবল এলডিসি থাকার কারণেই পায়, সময়সীমার আগে সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হোক।
  • সরকারের বিদ্যমান রূপান্তর পরিকল্পনায় পাঁচ বছরে ১৫০টি কাজের তালিকা আছে, বিশেষজ্ঞরা চান তা সংক্ষিপ্ত করে তিন বছরের একটা অগ্রাধিকারমূলক তালিকায় নামানো হোক, যেখানে লক্ষ্য প্রকাশ্য থাকবে।

এই সময়সীমা আগের চেয়ে কেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশ বছরের পর বছর এলডিসি স্নাতক প্রস্তুতির কথা বলে আসছে, কিন্তু এবার দেরি করার সুযোগ স্পষ্টভাবেই নেই। বিজিএমইএর মাহমুদ হাসান খান বাবু স্পষ্টভাবে বলেছেন, এই সময় বাড়ানোর পর "আর কোনো সময় বাড়ানো হবে না।" সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য একই রকম গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, এই সিদ্ধান্তকে কোনো নজির হিসেবে নয়, বরং ব্যতিক্রম হিসেবে দেখতে হবে, "একটা ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত ব্যতিক্রমী কর্মক্ষমতা দাবি করে।" এর ফলে সরকারের হাতে এখন প্রকৃতপক্ষে শেষ সুযোগ, কারণ স্নাতক হওয়ার পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে পোশাক রপ্তানিকারকরা, যারা ইইউর মতো বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতার ভিত্তি হিসেবে এই শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধার ওপর নির্ভরশীল।

ছয়টি কাজ যা অর্থনীতিবিদরা অপরিবর্তনীয় বলছেন

বাণিজ্য অর্থনীতিবিদ ও শিল্প সংস্থাগুলো নভেম্বর ২০২৯ এর আগে যা করতেই হবে তার একটা মোটামুটি তালিকায় একমত হয়েছে। এর কোনোটাই নতুন ধারণা নয়, কিন্তু সময়সীমা এখন এগুলোকে এমন একটা গুরুত্ব দিয়েছে যা আগে ছিল না।

কাজকেন গুরুত্বপূর্ণ
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, বিশেষত ইইউর সঙ্গেস্নাতক হওয়ার পর হারিয়ে যাওয়া শুল্কমুক্ত সুবিধার বিকল্প তৈরি করে
পোশাক ছাড়িয়ে রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণসবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ একক খাতে নির্ভরতার ঝুঁকি কমায়
নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাকারখানার উৎপাদন ও নতুন বিনিয়োগে বারবার আসা বাধা দূর করে
কর আদায়ের মাধ্যমে দেশীয় রাজস্ব বাড়ানোএলডিসি-নির্ভর সহজ ঋণ ছাড়াই রূপান্তরের খরচ জোগাড় করে
লজিস্টিক ও বন্দর অবকাঠামো আধুনিকায়নশুল্ক সুরক্ষা কমে গেলে খরচের দিক থেকে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ায়
শিল্প উৎপাদনশীলতা বাড়ানোএলডিসি সুবিধা শেষ হলে বাড়তি খরচ সামলাতে সক্ষম করে

র‍্যাপিডের আব্দুর রাজ্জাক সতর্ক করেছেন, এসব কিছুই আপনাআপনি হবে না, "আন্তঃসংস্থা সমন্বয় ও দৃঢ় রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া বাংলাদেশ হিমশিম খাবে।" পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের মাসরুর রিয়াজ সময়ক্রম নিয়ে আরও তীক্ষ্ণ একটা পয়েন্ট যুক্ত করেছেন, যুক্তি দিয়ে বলেছেন দেশ একসঙ্গে সব সুযোগের পেছনে ছুটতে পারবে না, "বাংলাদেশকে কয়েকটা উচ্চ সম্ভাবনার খাত বেছে নিয়ে সীমিত সম্পদ সেদিকেই কেন্দ্রীভূত করতে হবে," সব জায়গায় চেষ্টা ছড়িয়ে না দিয়ে।

নগদ প্রণোদনার ঘড়িও চলছে

তালিকার একটা বিষয় বাকিগুলোর চেয়ে বেশি সুনির্দিষ্ট, এবং এর পেছনে আছে একটা নির্দিষ্ট দাবি ও নির্দিষ্ট সময়সীমা। সিপিডি চায়, সরকার এমন প্রতিটি নীতি হাতিয়ারের তালিকা করুক যা বাংলাদেশ কেবল এলডিসি হওয়ার কারণেই ব্যবহার করতে পারে, রপ্তানি নগদ প্রণোদনা তার মধ্যে একটা, এবং একটা প্রকাশিত সময়সূচি মেনে নভেম্বর ২০২৯ এর আগেই তা পুরোপুরি তুলে নেওয়ার অঙ্গীকার করুক। এই ভর্তুকিগুলো বছরের পর বছর পোশাক রপ্তানিকারকদের দামে প্রতিযোগিতা করতে সহায়তা করেছে, বাংলাদেশ স্নাতক হয়ে গেলে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম এই ধরনের সহায়তা সীমিত করে দেবে, ঢাকা চাইলেও। সিপিডির যুক্তি, সৎ পথ হলো এখনই এই প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা, ২০২৯ সালে এসে আকস্মিক ধাক্কার মুখে পড়ার বদলে, এবং এই সময়সূচি সরকারের বিদ্যমান স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজির মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করা, আলাদা সিদ্ধান্ত হিসেবে না রেখে।

সিপিডির দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, "একটা ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত ব্যতিক্রমী কর্মক্ষমতা দাবি করে। এই বর্ধিত সময় কোনো নজির নয়।"

কাগজে বড়, তাড়াহুড়োয় কম

সরকারের নিজস্ব স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি আগে থেকেই আছে, সিপিডির মোস্তাফিজুর রহমানের মতে পাঁচ বছর ধরে ছড়ানো প্রায় ১৫০টি সময়নির্ধারিত কাজ নিয়ে তৈরি। বিশেষজ্ঞরা যে সমস্যাটা তুলে ধরছেন তা পরিকল্পনার বিষয়বস্তু নিয়ে নয়, বরং তার গঠন নিয়ে, পাঁচ বছরে ১৫০টি আইটেম আর প্রকাশ্য সময়সীমা ও দৃশ্যমান দায়িত্ব নিয়ে একটা অগ্রাধিকারমূলক তিন বছরের তালিকা একই জিনিস নয়। সিপিডি প্রস্তাব করেছে, এসটিএসের সমন্বয়ের দায়িত্ব অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্থানান্তর করা হোক, সংসদকে সরাসরি যুক্ত করা হোক, এবং নির্দিষ্ট মাইলফলকের বিপরীতে অগ্রগতি দেখানোর জন্য একটা প্রকাশ্য ড্যাশবোর্ড তৈরি করা হোক। সিপিডির ভাষায়, মূল দুশ্চিন্তাটা হলো, বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে রূপান্তর পরিকল্পনা লেখায় যতটা পারদর্শী, তা বাস্তবায়নে ততটা নয়।

বিজিএমইএর বাবু এটাও বলেছেন, ইইউর নিজস্ব নিয়মে বাংলাদেশকে শিরোনামের তিন বছরের চেয়ে একটু বেশি সময় মিলছে, কারণ স্নাতক হওয়ার পরের স্বাভাবিক ছাড়ের সময় আরও প্রায় তিন বছর যুক্ত করে, ফলে ইইউ বাজারের আসল সময়সীমা দাঁড়ায় ছয় বছরের কাছাকাছি। এই বাড়তি সময়টা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু বাবু একইসঙ্গে স্পষ্ট করে দিয়েছেন এটা অজুহাত হওয়ার কথা নয়, "যে উদ্যোক্তারা আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ করতে পারবেন না, তারা বাজার থেকে ছিটকে পড়বেনই," আনুষ্ঠানিক রূপান্তরের সময় যতদিনই চলুক।

আপনার জন্য এর মানে কী

পোশাক রপ্তানিকারক ও তাদের সরবরাহকারীদের জন্য এটা একটা সংকেত, ২০২৯ সাল আসার জন্য অপেক্ষা না করে এখনই দাম ও সোর্সিং কৌশল সামঞ্জস্য করা শুরু করার, কারণ নগদ প্রণোদনা ও শুল্কমুক্ত সুবিধা রাতারাতি উঠে যাবে না, কিন্তু এখন সেগুলো একটা দৃশ্যমান, সরকার স্বীকৃত গণনার মধ্যে চলে এসেছে। রপ্তানিমুখী শিল্পের কর্মীদের জন্য, বৈচিত্র্যকরণের এই প্রচেষ্টা সফল হলে চামড়া, পাট ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো খাতে পোশাকের বাইরে নতুন সুযোগ খুলতে পারে, যেগুলো শতাংশের হিসাবে এখনই দ্রুত বাড়ছে। সাধারণ করদাতাদের জন্য, তালিকার রাজস্ব বাড়ানোর কাজটাই সম্ভবত সরাসরি পরিবারের বাজেটে স্পর্শ করবে, কারণ স্নাতক হওয়ার ফলে তৈরি হওয়া আর্থিক ঘাটতি পূরণে আংশিকভাবে দেশীয় কর আদায়ের ওপর নির্ভর করতে হবে, যা নিজের দায় ইনকাম ট্যাক্স ক্যালকুলেটর দিয়ে হিসাব করা যে কারো জন্য নজরে রাখার মতো একটা বিষয়।

এরপর কী

আপাতত সবচেয়ে সুনির্দিষ্ট যে বিষয়টা দেখার, তা হলো সরকার আসলেই তার ১৫০টি আইটেমের রূপান্তর পরিকল্পনাকে সিপিডি ও অন্য অর্থনীতিবিদরা যেমন চাইছেন তেমন একটা প্রকাশ্যে পর্যবেক্ষণযোগ্য অগ্রাধিকার তালিকায় সংক্ষিপ্ত করে কিনা, এবং এলডিসি-নির্ভর নগদ প্রণোদনা বন্ধের একটা প্রকাশিত সময়সূচি পরবর্তী বাজেট চক্রে আসে কিনা। বাংলাদেশের হাতে আনুষ্ঠানিক স্নাতকের তারিখের আগে প্রায় তিন বছর আছে, এবং ইইউ বাজার প্রবেশাধিকার পুরোপুরি বদলে যাওয়ার আগে তার কাছাকাছি ছয় বছর, কিন্তু এই প্রতিবেদনে উদ্ধৃত প্রতিটি অর্থনীতিবিদ একটা বিষয়ে একমত, এই বাড়তি সময় সীমিত, এবং এটা আর বাড়ানো হবে না।

মন্তব্য

    এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে সাইন ইন করুন

এরপর পড়ুন

এশিয়ার ভেস্তে যাওয়া এলএনজি প্রকল্প নিয়ে আইইইএফএর নতুন প্রতিবেদন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ভর্তুকির জন্য কী বার্তা দিচ্ছে

আইইইএফএর নতুন এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২১ সাল থেকে বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডে প্রস্তাবিত এলএনজি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও আমদানি টার্মিনালের অর্ধেকের বেশি, মোট ৬৭.৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের, বাতিল বা থমকে গেছে। আমদানি করা প্রতি ঘনমিটার গ্যাসে বাংলাদেশ এখন ৬০ টাকার বেশি ভর্তুকি দেয়, প্রতিবেদন বলছে এশিয়ার স্পট এলএনজি দাম তিনগুণ হওয়া এবং এলএনজি কেন্দ্রের জীবনকালীন বিদ্যুৎ খরচ ১৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার কারণে এই চাপ আরও বাড়তে পারে। আইইইএফএর বাংলাদেশ বিশ্লেষক আরও এলএনজি বিনিয়োগের বদলে দেশীয় গ্যাস, দক্ষতা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝোঁকার আহ্বান জানিয়েছেন।

এক দশকে প্রায় তিনগুণ, বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ পৌঁছাল ১১৪ বিলিয়ন ডলারের কাছে

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক ঋণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ প্রায় ১১৩.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা এক দশক আগের ৩৮ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় প্রায় তিনগুণ। রপ্তানি আয়ের ১৬ শতাংশই এখন ঋণ পরিশোধে চলে যাচ্ছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার গড়ের চেয়ে অনেক বেশি। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করছেন, রপ্তানি যদি মূলত পোশাকের উপর নির্ভরশীল থাকে, তাহলে এই হার দ্রুত আরও খারাপ হতে পারে। বিশ্বব্যাংকের তুলনা অনুযায়ী, রপ্তানির সাপেক্ষে বাংলাদেশের ঋণের চাপ এখন ভারতের দ্বিগুণেরও বেশি। শ্রীলঙ্কার মতো ঋণ সংকট এড়াতে অর্থনীতিবিদরা আরও ঋণের বদলে ভালো শর্তের ঋণ, বৃহত্তর রপ্তানি ভিত্তি এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছেন।

বাপেক্স নোয়াখালীতে আবার গ্যাস পেল, ৫,৮০৯ কোটি টাকার মজুদ যা বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট কিছুটা কমাতে পারে

২ নভেম্বর নোয়াখালীর সুন্দলপুর সাউথ-১ কূপে বাপেক্স গ্যাস নিশ্চিত করেছে, এক মাসের মধ্যে একই ক্ষেত্রে দ্বিতীয় সন্ধান, যার মজুদ আনুমানিক ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট। বাংলাদেশের মোট গ্যাসের প্রয়োজনের তুলনায় এই সন্ধান অতি ক্ষুদ্র, কিন্তু এটা এমন সময়ে এলো যখন দেশীয় সরবরাহ কমতেই থাকছে আর ২০১৮ সাল থেকে দেশের এলএনজি আমদানির বিল ২.৭৭ ট্রিলিয়ন টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এই ধরনের ছোট সন্ধান কেন এখনো গুরুত্বপূর্ণ তা জেনে নিন।