বাণিজ্য ও রপ্তানি

প্রতিবাদে একজনের মৃত্যু ও ব্যাপক গ্রেপ্তারের মধ্যে বাংলাদেশের মজুরি বোর্ড জানুয়ারিতে বেতন বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিল

৭ নভেম্বর, ২০২৬5 মিনিটের পড়া
প্রতিবাদে একজনের মৃত্যু ও ব্যাপক গ্রেপ্তারের মধ্যে বাংলাদেশের মজুরি বোর্ড জানুয়ারিতে বেতন বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিল

বাংলাদেশের নতুন নূন্যতম মজুরি বোর্ড বলছে, পোশাক শ্রমিকরা বাড়তি বেতন পাবেন কেবল জানুয়ারি থেকে, যদিও একজন শ্রমিকের মৃত্যু এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যাপক মামলা সপ্তাহজুড়ে কারখানা অস্থিরতাকে আরও কঠিন করে তুলেছে। গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও সাভারে বিক্ষোভ পঞ্চম দিনে গড়ায়, এরপর শুক্রবার নাগাদ গাজীপুরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কারখানা আবার খোলে। কর্তৃপক্ষের স্বাভাবিক পরিস্থিতির দাবি আর শ্রমিকদের নিজস্ব ভয়ের অভিজ্ঞতার মধ্যেকার ফারাক বলছে এই বিরোধ এখনও মেটেনি, যার প্রভাব পড়ছে রপ্তানি সময়সূচি ও পারিবারিক বাজেট দুটোতেই।

একজন পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু, হাজারো মানুষের নামে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা, আর সরকারের এই ঘোষণা যে বর্ধিত মজুরি জানুয়ারির আগে মিলবে না, এই তিনটি মিলে এই সপ্তাহে বাংলাদেশের পোশাক খাতের অস্থিরতা কমার বদলে আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ১ নভেম্বর গঠিত নূন্যতম মজুরি বোর্ড ৪ নভেম্বর প্রথম বৈঠক করেছে, কিন্তু শুক্রবার যখন গাজীপুরের কারখানাগুলো একে একে খুলতে শুরু করেছে, ততক্ষণে এই সংঘাত একটি প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন পর্যন্ত গড়িয়েছে।

  • পোশাক শ্রমিক তৌফিক হোসেন, ৩৫, বিক্ষোভের সময় আহত হয়ে হাসপাতালে মারা যান, পাঁচ দিনের আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুতর পরিণতি এটি।
  • মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান বলছেন, শ্রমিকরা বর্ধিত বেতন পাবেন জানুয়ারি থেকে, যদিও আগে সরকারের বক্তব্যে ডিসেম্বরের কথা বলা হয়েছিল।
  • পুলিশ সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে, যেখানে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতাসহ ২১ জনের নাম এবং আরও ১,০০০ থেকে ১,৫০০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
  • শুক্রবার সকাল নাগাদ গাজীপুরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কারখানা খুলেছে, তবে শ্রমিকরা বলছেন পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়, বরং এক অস্বস্তিকর শান্তি বিরাজ করছে।

এই সপ্তাহে আসলে কী ঘটেছে

আশুলিয়ায় বিক্ষোভের মুখে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সরকার ১ নভেম্বর ছয় সদস্যের একটি নূন্যতম মজুরি বোর্ড গঠন করে। পোশাক শ্রমিকরা মাসিক নূন্যতম মজুরি ৩০,০০০ টাকা দাবি করছেন, যা বর্তমান ১২,৫০০ টাকার সীমার দ্বিগুণেরও বেশি। তাদের যুক্তি, গত চার বছরের মূল্যস্ফীতি তাদের আয়ের চেয়ে অনেক দ্রুত বেড়েছে, কোনো বেতন সমন্বয়ই তার সাথে তাল মেলাতে পারেনি। জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আজাদ সুবহানীর নেতৃত্বাধীন এই বোর্ড ৪ নভেম্বর ঢাকার সেগুনবাগিচায় নিজেদের কার্যালয়ে প্রথম বৈঠক করে, শিল্প এলাকায় চাপ বাড়তে থাকায় বৈঠকের সময় বিকেল ৩টা থেকে এগিয়ে সকাল ১১টায় নিয়ে আসা হয়।

সেই বৈঠক রাস্তার উত্তেজনা কমাতে পারেনি। ৪ নভেম্বর টানা পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভ চলে, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও সাভারে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর আসে। সাভারে বিক্ষোভকারীরা একটি পুলিশের গাড়িতে আগুন দেয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে। গাজীপুর ও সাভারে শতাধিক কারখানা উৎপাদন বন্ধ করে দেয় বা ছুটি ঘোষণা করে। নারায়ণগঞ্জে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, এবং পরদিনই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয় যেখানে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিসহ ২১ জনের নাম এবং ১,০০০ থেকে ১,৫০০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। সাভারে বিক্ষোভ কভার করতে গিয়ে তিনজন সাংবাদিক হামলার শিকার হন, আর মিরপুরে ১৫টি কারখানায় বন্ধের নোটিশ টানানো হয়। শিল্প এলাকা নিয়ন্ত্রণে আনতে বিজিবির ২৪টি প্লাটুন মোতায়েন করা হয়।

"তাহলে, শ্রমিকরা জানুয়ারিতে তাদের বর্ধিত বেতন পাবেন," বোর্ডের প্রথম বৈঠকের পর বলেন মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী, যা সরকারের আগের ইঙ্গিতের সাথে মেলে না, যেখানে বলা হয়েছিল নতুন বেতন কাঠামো ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর হবে।

একটি মৃত্যু যা পুরো হিসাব পাল্টে দেয়

তৌফিক হোসেনের মৃত্যু একটি শ্রম বিরোধকে এমন কিছুতে রূপ দিয়েছে যাকে সরকার আর নিছক সময়সূচির সমস্যা হিসেবে দেখাতে পারছে না। শ্রম প্রতিমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হবে, আবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ একটু ভিন্ন সুরে বলেছেন, সাধারণ শ্রমিকদের একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে, এবং পুলিশকে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একদিকে একজন শ্রমিকের মৃত্যুর জন্য জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি, অন্যদিকে বিক্ষোভের পেছনে বহিরাগত ইন্ধনের ইঙ্গিত, এই দুই বক্তব্যই দেখিয়ে দেয় সরকারের নিজস্ব বয়ানই এখনও কতটা অস্থির।

আশুলিয়ার একজন কারখানা শ্রমিক আলিয়া আক্তারের কাছে ব্যাখ্যাটা অনেক সহজ। তিনি বলেন, "দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে," অর্থাৎ ৩০,০০০ টাকার দাবি। নতুন বেতন কাঠামোর জন্য জানুয়ারির এই সময়সীমা সেই দাবি পূরণের জন্য যথেষ্ট হবে কিনা, নাকি চার বছর ধরে প্রকৃত মজুরিতে চাপ খাওয়ার ওপর এটি আরেকটি বিলম্ব হিসেবেই গণ্য হবে, সেটাই এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাতের সামনে মূল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বোর্ড কেন ডিসেম্বর নয়, জানুয়ারি বেছে নিল

বাংলাদেশের পোশাক খাতে নূন্যতম মজুরি বোর্ডগুলো সাধারণত নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ করার আগে শ্রমিক, কারখানা মালিক এবং বিজিএমইএর মতো শিল্প সংগঠনগুলোর কাছ থেকে প্রস্তাব সংগ্রহ করে, যে প্রক্রিয়া কয়েক সপ্তাহে শেষ হয় না। সুবহানীর বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে বোর্ড তাড়াহুড়া করে একটি অন্তর্বর্তী সংখ্যা ঘোষণা না করে এই পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়াই অনুসরণ করতে চায়, যদিও ১২,৫০০ টাকার সীমা নিয়ে এক বছর ধরে চলা বিক্ষোভের পর শ্রমিকদের আরও দুই মাস অপেক্ষা করতে বলার রাজনৈতিক মূল্য কম নয়। আগে ভাসিয়ে দেওয়া ডিসেম্বরের প্রতিশ্রুতি আর এখন বোর্ডের চেয়ারম্যানের মুখেই নিশ্চিত হওয়া জানুয়ারির বাস্তবতার মধ্যে এই গরমিল শ্রমিকদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি করেছে যে এই সময়সীমাও হয়তো আবার পিছিয়ে যাবে।

শিল্প এলাকায় ভঙ্গুর শান্তি

শুক্রবার নাগাদ গাজীপুরের প্রায় ৩৫ শতাংশ পোশাক কারখানা আবার চালু হয়েছে বলে জানান শিল্প পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন, যিনি সকালের দিকেই এলাকাকে স্বাভাবিক বলে বর্ণনা করেন। পার্কস্টার অ্যাপারেলস ও পার্কসিন বাংলাদেশ নামের দুটি কারখানায় শ্রমিকরা স্বাভাবিকভাবেই কাজে যোগ দিয়েছেন, আবার অনন্ত গার্মেন্টস ও ম্যাট্রিক্স সোয়েটারের মতো কিছু কারখানা টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে। চান্দনা চৌরাস্তার একজন ট্রাফিক পরিদর্শক জানান, মহাসড়কে কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু কর্তৃপক্ষের এই স্বাভাবিক পরিস্থিতির বর্ণনা শ্রমিকদের নিজস্ব অভিজ্ঞতার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না, ম্যাট্রিক্স সোয়েটারের একজন কর্মী বলেন, গত কয়েকদিন ধরে তারা ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং গাজীপুরের পরিস্থিতি "ভালো না", যদিও সেদিন সকালে পুলিশ নতুন কোনো ঘটনার খবর পায়নি।

কর্তৃপক্ষের বিবরণ আর শ্রমিকদের বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্যেকার এই ফারাক ততদিন থাকবে, যতদিন না মজুরি বোর্ড শুধু জানুয়ারির তারিখ নয়, সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করছে। ততদিন কারখানা মালিকদের উৎপাদন লাইন আবার সচল করতে হচ্ছে এই অনিশ্চয়তা নিয়েই যে পরবর্তী মজুরি আদেশ সামান্য হবে নাকি বড় ধরনের, আর বিদেশি ক্রেতারাও কড়া নজর রাখছেন শিপমেন্ট সময়সূচি আবার সেই বন্ধের সবচেয়ে খারাপ দিনগুলোর মতো পিছিয়ে যায় কিনা তার ওপর।

এটি আপনার জন্য কী অর্থ বহন করে

আপনি যদি বাংলাদেশের পোশাক খাতে কাজ করেন বা এর ওপর নির্ভরশীল হন, তাহলে জানুয়ারির এই সময়সীমার মানে হলো নতুন বছরের আগে বেতনে কোনো বৃদ্ধি দেখা যাবে না, তাই ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্তমান ১২,৫০০ টাকার সীমা ধরেই সংসারের বাজেট করা বুদ্ধিমানের কাজ। আপনি যদি কোনো পোশাক কারখানা চালান বা তাতে বিনিয়োগ করেন, তাহলে পূর্ণাঙ্গ পরামর্শ প্রক্রিয়ার দিকে এই ঝোঁক ইঙ্গিত দেয় যে শেষ পর্যন্ত মজুরি আদেশ হয়তো তাড়াহুড়ো করে দেওয়া কোনো জরুরি ঘোষণার চেয়ে শিল্পের মতামত বিবেচনায় নিয়ে বেশি সতর্কভাবে তৈরি হবে, তবে এর অর্থ এই-ও যে শ্রম খরচ নিয়ে কয়েক সপ্তাহের অনিশ্চয়তা থেকে যাচ্ছে, যা স্বল্পমেয়াদী মূল্য নির্ধারণ ও রপ্তানি চুক্তিতে হিসাবে রাখা দরকার। আপনি যদি রপ্তানিকারক বা ফরওয়ার্ডার হন, তাহলে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ বা সাভারে নতুন করে সংঘর্ষ হলো আগামী শিপমেন্ট বিলম্বের সবচেয়ে স্পষ্ট পূর্বাভাস, তাই বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে বাড়তি সময়ের সংস্থান রাখার বিষয়টি পরবর্তী উত্তেজনা তৈরি হওয়ার আগেই এখন পুনর্বিবেচনা করা ভালো। মূল্যস্ফীতির এই সময়ে যারা পারিবারিক বাজেট হিসাব করছেন, তাদের জন্য ইনকাম ট্যাক্স ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে দেখে নেওয়া যেতে পারে, বেতন পরিবর্তন সত্যিই এলে তা হাতে পাওয়া আয়ে ঠিক কতটা প্রভাব ফেলবে।

মন্তব্য

    এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে সাইন ইন করুন

এরপর পড়ুন

জাহাজ ভাড়া তিনগুণ আর কোল্ড চেইনের ঘাটতিতে ৭৬ শতাংশ কমল বাংলাদেশের ফল রপ্তানি

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশের ফল রপ্তানি আয় আগের বছরের তুলনায় ৭৬ শতাংশ কমে ৩০.৮৬ মিলিয়ন ডলার থেকে নেমে এসেছে মাত্র ৭.৩৮ মিলিয়ন ডলারে। রপ্তানিকারকরা এর জন্য দায়ী করছেন হরমুজ প্রণালীর কাছে বিপর্যয়ের পর বেড়ে যাওয়া জাহাজ ভাড়া এবং কোল্ড স্টোরেজ, ট্রেসেবিলিটি ও ল্যাব টেস্টিংয়ের দীর্ঘদিনের ঘাটতিকে। গত বছর কম বিমান ভাড়ার সুবাদে ফল রপ্তানি রেকর্ড গড়েছিল, তার তুলনায় এই পতন একটি বড় ধাক্কা। ইউরোপ, যুক্তরাজ্য ও মধ্যপ্রাচ্যে আম, কাঁঠাল, ডাব ও বাঁধাকপির চালান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে গ্রিন ডেল্টা ও বিজিআইসিকে তিন মাসের জন্য স্থগিত করল আইডিআরএ

বাংলাদেশের বিমা নিয়ন্ত্রক আইডিআরএ গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স ও বিজিআইসিকে তিন মাসের জন্য মেরিন কার্গো বিমা বিক্রি থেকে স্থগিত করেছে, অভিযোগ এনেছে তারা গোপনে একটি বাধ্যতামূলক ট্যারিফ হার থেকে কম প্রিমিয়াম নিয়েছে, যে হারকে বছরের পর বছর ধরে সমালোচকরা অতিরিক্ত ব্যয়বহুল বলে আসছেন।

বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি ব্যয় দ্বিগুণ হয়ে ৪.২ বিলিয়ন ডলার, বৈদেশিক হিসাব ঘাটতিতে

বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে, আগের বছরের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭.৪৮ বিলিয়ন ডলারে, আমদানি ১৫ শতাংশ বেড়ে ১৯.৩৩ বিলিয়ন ডলার আর রপ্তানি ৭ শতাংশ বেড়ে ১১.৮৬ বিলিয়ন ডলার। এর সবচেয়ে বড় কারণ জ্বালানি, পেট্রোলিয়াম আমদানি ১০৫ শতাংশ বেড়ে ২ বিলিয়ন থেকে ৪.২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি ২২.৫ শতাংশ কমেছে, জ্বালানি ও খাদ্য আমদানি বিল বাড়ার পরও, এবং চলতি হিসাব ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৩৩ বিলিয়ন ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই বৈদেশিক হিসাবের ফাঁক রিজার্ভ থেকে পুরণ করেছে।